এস ই ও করার ক্ষেত্রে আমাদের ৫টি সাধারন ভুল বা টেকনিকস

টিউন করেছেন konok1a | January 7, 2014 12:42 | পোস্টটি 466 বার দেখা হয়েছে

এস ই ও করার ক্ষেত্রে আমাদের ৫টি সাধারন ভুল বা টেকনিকস


 

 এস ই ও করার ক্ষেত্রে আমাদের ৫টি সাধারন ভুল বা টেকনিকস

এস ই ও নিয়ে আমরা যারা কাজ করি তারা অনেক সময় অনেক বড় ও জটিল কাজ করতে করতে কিছু ছোট ছোট বিষয় খেয়াল করি না।আজকে এইরকম ৫টি ভুল ও টেকনিক আপনাদের মনে করিয়ে দিব।

১.লোগো অপটিমাইজেশন:

লোগো অপটিমাইজেশন একটি খুবই প্রয়োজনীয় ও সহজ বিষয়।কিন্ত এক্সপার্টরা অনেক সময় এটিকে এরিয়ে যায়।আপনার লোগোকে হোমপেজের সাথে অবশ্যই লিক্ক করতে হবে।কারন এটিই আপনার কোম্পানীর পরিচয় বহন করে।

লোগো এর নাম দেওয়ার ক্ষেত্রে নামটি লোগো.জেপিজি না দিয়ে আপনার হোম পেজোর কিওয়ার্ড টি দিতে পারেন অথবা আপনার সাইটটি যে বিয়য়ের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন তার নাম দিতে পারেন।উদাহরন হিসাবে ঢাকার এস ই ও এক্সপার্ট হন তাহলে আপনার লোগো এর নাম seo expert-dhaka এভাবে লেখতে পারেন।আর নাম লেখার ক্ষেত্রে আন্ডারস্কোর এর পরিবর্তে হাইপেন ব্যবহার করবেন।

এছাড়াও লোগো এর অল্ট ট্যাগের নামও আপনার সাইটের মেইন কিওয়ার্ড হিসাবে যেটা ব্যবহার করেছেন সেটাই ব্যবহার করবেন।

seo

২.ইমেজ অপটিমাইজেশন:

আপনার ব্যক্তিগত কোন সাইট কিংবা অন্যকোন ক্লাইন্টের জন্য যদি লিন্ক বিল্ডিং এর কাজ করেন সেক্ষেত্রে সেই সাইটের ইমেজগুলো ব্যবহার করেও লিন্ক বিল্ডিং করতে পারেন।ইমেজ অপটিমাইজেশন এর পদ্ধতি লোগো অপটিমাইজেশন এর মত একই।

৩.কিওয়ার্ড কে বোল্ড, আন্ডারলাইন করুন:

আপনার সাইটের আর্টিকেল এর কোন লেখাকে আপনি গুরুত্ব দিয়েছেন তাবোঝানোর জন্য সেই কিওয়ার্ড অথবা লেখাটুকু বোল্ড, আন্ডারলাইন অথবা ইটালিক করুন।সার্চ ইন্জিন সার্চ করার সময় এই সকল জায়গা গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে

৪. ২০০০ ওয়ার্ডের বেশী ওয়ার্ড এর আর্টিকেল:

আপনার সইটের জন্য আর্টিকেল লেখার সময় খেয়াল করবেন যাতে সেগুলো যেন ২০০০ ওয়ার্ডের বেশী হয়।গবেষণায় দেখা গেছে, গুগোলে সার্চ দিলে ২০০০ ওয়ার্ডের বেশী বড় অর্টিকেল গুলো গুগোলের সার্চে প্রথমে আসে।বড় আর্টিকেল লেখার জন্য শুধু স্ক্রাপ কন্টেন্ট দিয়ে লেখা বড় করলে হবে না, আর্টিকেল হতে হবে ইউনিক,তথ্যবহুল,পরিস্কার।

seo

৫.বিভিন্ন সম্পর্কিত সাইটে লিন্ক:

আপনার সাইটের প্রচারের জন্য বিভিন্ন সম্পর্কিত ও অথোরেটিভ সাইটে আপনার সাইটের লিন্ক প্রদান করুনে। এতে গুগল আপনার সাইটকে মূল্যবান মনে করবে।

আশা করতেছি, এই পোষ্টটি আপনাদের অনেক উপকারে আসবে।

ফেইসবুক এ আমি ।আমার ফেইসবুক গ্রুপ

 

  • Md Shohidul Islam Robin

    ২০০০ ওয়ার্ড এর বেশি ওয়ার্ড ব্যাবহার করে আর্টিকেল লেখতে হবে এটা আমি নিজে মেনে চলি না।
    আমি এখন পর্যন্ত ৭০০-৮০০ কেই প্রাধান্য দেই।
    তবে কিছু কিছু সময় আমি ১০০০ ওয়ার্ড এর বেশি আমার ব্লগে পোস্ট করেছিলাম।

    আর কি ওয়ার্ড কে বোল্ড ,ট্যাগ,আণ্ডার লাইন করলে লেখাটার সৌন্দর্য নষ্ট হয়।
    আজাদ ভাই, আপনি লিখেন কার জন্য ???
    ভিসিটর এর জন্য অবশ্যই ???

    যেভাবে ভিসিটর খুশি হবে সেই মোতাবেক কাজ করাটাই উত্তম হবে বলে আমি মনে করি।
    আর একটা কথা বলেই ফেলিঃ
    SEO এর ক্ষেত্রে অনেকেই অনেক ধরনের মতামত দেন, আমি সেটাকেই পারফ্যাক্ট মনে করি অন্নের যে কাজে আমি মুগ্ধ হই।

    অনেক সুন্দর লিখেছেন আপনি, আশা করি আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবেন খুব দ্রুতই :)

    রবিন ভাই ;)

    • Ashfak Shuman

      “SEO এর ক্ষেত্রে অনেকেই অনেক ধরনের মতামত দেন, আমি সেটাকেই পারফ্যাক্ট মনে করি অন্নের যে কাজে আমি মুগ্ধ হই।”—– ভালো একটা কথা বলছেন রবিন ভাই ধন্যবাদ

    • konok1a

      ধন্যবাদ রবিন ভাইকে, সময় নিয়ে পোষ্টটি পড়ার ও মন্তব্য করার জন্য।
      যদি কোন লেখাকে বোল্ড বা ইটালিক করা হয় তাহলে গুগল সেই লেখোর উপর গুবুত্ব দেয়।
      আর একটি গবেষণায় দেখা গেছে , কোন আর্টিকেল কে সার্চ দিলে গুগলে প্রথম যে ১০ টি সাইট আসে সেই সাইটগুলোর আর্টিকেল এর ওয়ার্ডের পরিমান ২০০০ বেশী। এটা এস ই ও ফ্রেন্ডলীর জন্য বলা হয়েছে।
      আর আমি আপনার মাতের সাথে একমত।যে কাজে নিজে মুগ্ধ হওয়া যায়, সেটা অবশ্যই ভালে হবে। গুগল সার্চ ইঞ্জিন তো আর মানুষ না।

  • Ashfak Shuman

    অনেক উপকারি একটা পোস্ট ! তবে ২০০০ ওয়ার্ড এর বেশি ওয়ার্ড ব্যাবহার করে লেখা বিষয়টা মানতে পারছি না – ৫০০-৭০০- ১০০০ ওয়ার্ড যথেষ্ট মনে করি ! ২০০০ + ওয়ার্ড আর্টিকেল কালেভদ্রে প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু বেশিরভাগ পাঠক Bored হয়ে যেতে পারে এত বড় লেখা সবসময় পড়তে গিয়ে ! ধন্যবাদ আজাদ ভাই