ব্যতিক্রমী পদ্ধতিতে অনলাইন মার্কেটিং ( পর্ব ০১)

ব্লগার রিফাত

খাওয়া, ঘুম আর ফেসবুকে আড্ডা । সারাদিন সব ইজি কাজ নিয়ে বিজি। বর্তমানে সিভিন লি: এর জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে আছি। ব্যাবসা বানিজ্য নিয়েটুকটাক সাধনা। লেখাপড়া করছি সাংবাদিকতা বিভাগে।
ফেসবুকে অাড্ডা দিলে এড হতে পারেন আমার সাথে--- https://www.facebook.com/JuniorRefath
টিউন করেছেন ব্লগার রিফাত | February 3, 2014 20:58 | পোস্টটি 560 বার দেখা হয়েছে

ব্যতিক্রমী পদ্ধতিতে অনলাইন মার্কেটিং ( পর্ব ০১)


ইন্টারনেট এখন আর নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের মধ্য সিমাবদ্ধ নয় । এটা বিস্তারিত হয়ে গেছে। সব ক্ষেত্রে অনলাইনের সাহা্য্য নিচ্ছে মানুষ। ঠিক তেমনি মার্কেটিং এর ক্ষেত্রেও এর অনলাইনের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন মানুষ টিভি এড বা প্রিন্ট পেপারে এডভারটাইজ এর চেয়ে অনলাইন মিডিয়াতে এড দেওয়াকে বেশি পছন্দ করে। অনলাইনে মানুষ অনেক ধরনের মার্কেটিং করতে পারে। কেউ কেউ আবার অনলাইন মার্কেটিং টাকে একদম বাজে বানিয়ে ফেলছেন। তারা বিভিন্ন পর্নো বা বিভিন্ন খারাপ সা্ইট গুলোর আশ্রয় নেয়।আর এজন্য মার্কেটিং এর পদ্ধতিতে এমন একটি ভাবধারা বজায় থাকতে হবে যে, আপনি মার্কেটিং -ই করছেন না বরং আপনার মার্কেটিং অন্যে করছে। বিষয়টা একটু কঠিন হলেও দেখে নিতে পারেন।

index

. কানের কাছে অতিরিক্ত প্যান প্যান

মনে করেন  আপনি একটি প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিং এর কাজ করছেন। আপনি কারো সাথে কথা প্রসংগেই যদি তাকে আপনার মার্কেটিং এর দাওয়াত দেওয়া শুরু করেন তাহলে আরেক দিন আপনার সাথে সে কথা বলতেই আসবে না। অধিকাংশ মানুষই মার্কেটিং এর লোকদের ঝামেলা দেখে এসেছে এবং তাদের কথা জোর করে শুনে কান ঝালা পালা হয়ে পালিয়ে গেছে। ইন্টারনেটে একটা সময় কেউ যোগ দান করলে প্রথমেই নিজের একটা মেইল আইডি খোলতেন। এখন ফেসবুক ও ইউটিউবের আইডি খোলতে দেখা যায় বেশি। যারা মেইল খুলেছে তারা অনেকেই অপ্রয়োজনীয় মেইল মুছে ফেলেছে আর তাই তারা এখন ই-মেইল সাবক্রাইব করতে ভয় পায়। ফেসবুকে  ফালতু রিকোয়েষ্টে আনেকেই অস্থির হয়েছে তাই এখন তারা যে কোন গ্রুপে যোগ দেয় না। অনেকেই তাদের বন্ধুর সংখ্যা কমিয়ে নিতেছে। আর তাই অনলাইন নেটওয়ার্কে আপনার নিজের পরিচয়ের চেয়ে প্রোফেশনাল পরিচয়টা বড় হয়ে ওঠবে না-এমনটা আরেক ধরনের মার্কেটিং।

. ফেসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে মার্কেটিং
এক দল কিন্তু খুব ভাল ভাবেই বসবাস করছে অনেক অনেক কানেকশনের সাথে যুক্ত থাকা সত্ত্বেও । সামাজিক নেটওয়ার্কে শুধু নিজেকে ব্যক্তিগত পরিচয়ে পরিচয় দিবেন। অনেকগুলো পরিচয়ের সাথে আপনার মার্কেটিং সার্ভিসের পরিচয়টিও থাকবে। আপনার সার্ভিসটি তার দরকার হরে যাতে আপনার কাছেই সে আসে, সেই ধরনের সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। আমি আমাদের অফিসের আইটি বিভাগে কর্মরত আছি। আমি মার্কেটিং বিভাগের কয়েকজনকে ভাল জানি। তার মধ্য একজনকে ব্যক্তি হিসেবে বেশি ভাল জানি। আর আমার কাছে অনেক সময়ই বেশ কিছু ক্লায়েন্ট আসলে আমার জানা ভাল ব্যক্তিটির কাছে পাঠিয়ে দেই । কিন্তু এই ক্লা্য়েন্ট যে আমার মাধ্যমে গিয়েছে সে তা জানতেও পারে না।
প্রকৃত বেপার হলো এটা তার প্রাপ্য। আর তাই নিজের গুণাবলীও মার্কেটিং এ একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আপনার দূর্বলতম কোন বিষয় অনলাইনে পাবলিশ হলে আনলাইন মার্কেটিং এ সমস্যা হবেই। আর তাই ইন্টারনেটে অবশ্যই নিজেকে মার্জিত করে প্রকাশ করতে হবে। অহেতুক ঝামেলায় জরানো যাবে না এবং অনলাইনে কথা বলতে হবে অতি সাবধানে।

Milwaukee-Internet-Marketing_affiliate_marketing

. ব্যাক্তিগত কিছু আনন্দ অনুভূতি শেয়ার করুন:

নিজের সৃজনশীলকাজগুলোকে প্রকাশের মাধ্যমে আপনার একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরী হবে। আনলাইনে হালকা অনেক কথা ও কাজ প্রকাশ না করে সৃজনশীল কয়েকটি কাজের ধারা বর্ণনা কররে দেখবেন অনেকেই সেটার প্রশংসা করবে। মূলতঃ আপনার সাথে কাজ করতে চাইবে বা আপনার কাজগুলোকে অনুসরণ করবে। আর এটা যে বড় কোন সৃজনশীল কাজ হতে হবে তা না। হয়তো আপনি ভ্রমনে গিয়েছেন, সেখানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দেখেছেন। সেখারকার ছবি , অবস্থান ও তার বর্ণনা আপনার পরিচয়ের মাত্রাকে আরো বাড়িয়ে দিতে পারে। এডভেঞ্চার এবং কৌতুকপূর্ণ বিষয়গুলো অনলাইনে বেশি আলোচিত হয়। কিন্তু ব্যাবসায়ীক বিষয় থেকে বরাবরই লোকজন দূরে থাকতে ভালবাসে। আর তাই বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

. অন্যের বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া

নিজেকে প্রকাশ নিজের কাজই সব কিছু না। অন্যের সাথে যোগাযোগটিও হতে হবে একটু উন্নত পদ্ধতির। সহযোগিতা করতে হবে সহযোগিতার মানুষিকতা নিয়ে চলতে হবে। সামাজিক নেটওয়ার্কের জীবনটিকে ব্যক্তিগত একটি পৃথিবীতে পরিনত করতে হবে। আর নতুন নতুন পরিচয়কে কখনো আবজ্ঞা করা যাবে না। আর সব চেয়ে বেশি দরকার যেটা তা হলো অনলাইনে কাছে থাকা এবং প্রয়োজনে খুবই দ্রুত সারা দেওয়া। আশা করা যায়  অনলাইন মার্কেটে নিজের কষ্ট সাধ্য কিন্তু স্থায়ী একটি অবস্থান তৈরী করতে পারবেন।