নাগ পাহাড়ের দেশে যা !!!

jony

আমি সরফরাজ হোসেন (জনি) |অনলাইন মার্কেটিং এবং ওয়েব ডিসাইন ও ডেভেলপমেন্ট করি |লেখা লেখি করা এবং পড়া আমার শখ | ভ্রমন পিপাসু |
টিউন করেছেন jony | August 2, 2014 02:44 | পোস্টটি 2,563 বার দেখা হয়েছে

নাগ পাহাড়ের দেশে যা !!!


নাগ নামটি শুনে ভয় পাবার কারণ নাই | নামটি গঠন গত কারণে দেয়া | ঈদ এর ছুটিতে নাটের গুরু (হীরা ভাই ) এর সাথে আমরা গরু গুলি এক হলাম (জনি , মিলন , আনাস , মাহবুব , তুলি , মেরাজ  ) | সাধারণত যা হয় এবার তাই হলো, হীরা ভাই আমাদের সব গুলি কে আগে আগে বাস স্টপ এ পৌছাতে বলে নিজে আসলেন সবার শেষে এমন কি কয়েক মিনিট বাস কে অপেক্ষা করতে হলো এবং গুরু দৌড়ে আসলেন | এবং যথা রীতি তার দেরি হবার কারণ বাখ্যা করতে লাগলেন |

ঈদ এর জ্যাম এ খুব একটা পড়তে হলো না | ৮:৩০ এর প্রথম ট্রিপ এর বাস এ উঠে বন্দরবান থেকে রুমা | সারা রাতের ভ্রমণ এ সবাই ক্লান্ত তাই হোটেলে একটা রুম ভাড়া করে একটু বিশ্রাম করে ৩:৩০ এর দিকে রওনা করে দিলাম | এর আগে কেনাকাটা করে রেখেছিলাম | আর্মি ক্যাম্পএ নাম অন্তর্ভুক্ত করে বরাবর এর গাইড কাজল বড়ুয়া কে নিয়ে রওনা হলাম মংপ্রু পাড়ার দিকে | এই রোডের বৈশিষ্ট হলো শুধু ওঠা আর ওঠা সবাই ক্লান্ত হয়ে মংপ্রু পাড়া পৌছালাম | ততক্ষণে আমাদের নতুন সদস্য মেরাজ ভাই ক্লান্ত হয়ে ভেঙ্গে পড়েছেন |10353473_10152937716831729_4467607814742999706_oমংপ্রু পাড়ার পাশে টেবিল পাহাড় এর ছবি |

 

পরদিন আমাদের লক্ষ্য ছিলো প্রানচা পাড়া পৌছানো যা সহজেই দুপুর এর মধ্যে পৌছে গেলাম | সেখানে স্থানীয় একটি গাইড পেয়ে গেলাম এবং হালকা নাস্তা করে রওনা হলাম নতুন পাড়ার দিকে | মধ্যে কাজল এর সাথে হীরা ভাই বাজি ধরলো আজ যেভাবেই হোক চূড়াতে পৌছাবেন | সবাই ক্লান্ত হীরা ভাই গরু গুলি কে পিটিয়ে ঘোড়া বানাতে পারলেন না | আমরা গাধার মতো চলতে লাগলাম | বিশেষ ভাবে মিরাজ ভাই এবং মিলন (সব চেয়ে লম্বা এবং ভারী ) চোখ এ সরিষার ফুল দেখতে লাগলো |

আমাদের টুরের ফটোগ্রাফার মিলন (নতুন গার্ল ফ্রেন্ড (তার dslr) নিয়ে এসেছে )কিন্তু সে ছবি একবার তোলা শুরু করলে আর শেষ করতে পারেনা তাই জরিমানা হিসাবে তাকে চূড়া পর্যন্ত ক্যামেরা নিতে দেয়া হয়নি | এর ফলে চুড়াতে কোনো ভালো ছবি পাওয়া যায়নি |

সামিটসাধারণ ক্যামেরা দিয়ে চূড়া থেকে তোলা ছবি |

 

সেদিন ফিরে আমরা ছিলাম নতুন পাড়াতে যেটা ম্রং পাড়া | কাজল এর রাধা মুরগী দিয়ে ভালো খাওয়া হলো | রাতে খেতা কম্বল কম ছিলো অনেকে কাপতে লাগলো শীত এ |পরদিন রেকর্ড ভাঙ্গা দৌড় দিয়ে ৫ – ৬ ঘন্টায় রুমা পৌছালাম |

10561801_10152936565941729_6834853918678164419_n

এবার ভ্রমণ এ এই রকম মেঘ এর মধ্যে দিয়ে হাটার সৌভাগ্য হয়েছে |

ভ্রমণ সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্ন করুন এখানে |