কক্সবাজার ট্যুরিজম সম্পর্কে বিস্তারিত গাইড (শেষ পর্ব)

ekram

বর্তমানে অনলাইন মার্কেটার হিসেবে কাজ করছি, ওয়েবডিজাইন এবং গ্রাফিকসটাও নিজের নেশা। আইটি প্রতিষ্ঠান, ন্যাশনাল আইটি ইন্সটিটিউট (https://www.facebook.com/nationalinst) এর সিইও । জেনেসিসব্লগসের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডমিন ।
টিউন করেছেন ekram | April 24, 2014 00:21 | পোস্টটি 8,479 বার দেখা হয়েছে

কক্সবাজার ট্যুরিজম সম্পর্কে বিস্তারিত গাইড (শেষ পর্ব)


 বাংলাদেশের ভিতরে কোথাও ভ্রমনে চিন্তা করলেই সবার প্রথমে অবশ্যই কক্সবাজারের কথা আসবে মাথাতে। শুধু দেশীয় পর্যটক না, দেশের বাইরে থেকেও প্রতিবছর প্রচুর পর্যটক বিশ্বের সবচাইতে বৃহৎ এই সমুদ্র সৈকত দেখতে আমাদের এই দেশে আছেন। বিস্তীর্ণ বেলাভূমি, সারি সারি ঝাউবন, সৈকতে আছড়ে পড়া বিশাল ঢেউ। সকালবেলা দিগন্তে জলরাশি ভেদকরে রক্তবর্ণের থালার মতো সূর্য। অস্তের সময় দিগন্তের চারিদিকে আরো বেশি স্বপ্নিল রঙ মেখে সে বিদায় জানায়। এসব সৌন্দর্যের পসরা নিয়েই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে রচনা করেছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার।  এই কক্সবাজারে শুধু সৈকত নয়, পাশাপাশি রয়েছে আরো বেশ কয়েকটি দর্শনীয় স্থান। অনেকের সেই তথ্যগুলো জানা না থাকার কারনে এই জায়গাগুলো দেখা হয়নি। তাতে ভ্রমনের মজা অপূর্ণ থেকে যায়।  আশা করি, এ পোস্টটি ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য ভ্রমণ গাইড হিসেবে কাজ করবে।

প্রথম পর্বঃ http://genesisblogs.com/travel/2147

বিভিন্ন সৈকত এবং দ্বীপ

1382011_462933860490574_933854699_n

কক্সবাজারঃ

বিশ্বের সবচাইতে বড় সমুদ্রসৈকত এটি। সড়কপথে ঢাকা থেকে প্রায় সাড়ে চারশ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম থেকে প্রায় দেড়শ কিলোমিটার দূরে রয়েছে নয়নাভিরাম এ সমুদ্র সৈকত। এখানকার সমুদ্রের পানিতে বড় বড় ঢেউয়ের মাঝে গোসল, সূর্যাস্তের মনোহারা দৃশ্য সকল পযটকের মূল আকর্ষণ।  কক্সবাজার সৈকত ভ্রমণের শুরুটা হতে পারে লাবনী পয়েন্ট থেকে।  সকাল বেলা বের হলে এ সৌন্দর্যের সাথে বাড়তি পাওনা হবে নানান বয়সী জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য। শুধু সমুদ্র সৈকতই নয়, কক্সবাজার শহরের বৌদ্ধ মন্দির, বার্মিজ মার্কেট, হিলটপ রেস্টহাউস ইত্যাদি কক্সবাজার ভ্রমণের অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান।  কক্সবাজারে থাকার জন্য এখন অনেক আধুনিক হোটেল মোটেল রয়েছে। ৪ স্টার হোটেল থেকে শুরু করে কম দামি বিভিন্ন মোটেলও রয়েছে। ২০,০০০টাকার হোটেল যেমন রয়েছে, তেমনি একটু পিছন দিকে মাত্র ৫০০টাকার হোটেলে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

হিমছড়ি

কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই হিমছড়ি।  কক্সবাজার থেকে সেখানে ৩ ভাবে যাওয়া যায়। খোলা জীপ, রিকশা কিংবা ব্যাটারী চালিত রিকশাতে করে সেখানে যাওয়া যাবে। খোলা জীপে গেলে জনপ্রতি ভাড়া ৫০-৭০ টাকা পড়বে। রিজার্ভ নিলে এটি পড়বে ১২০০ -১৫০০টাকা।রিকশা করে যেতে হলে ভাড়া লাগবে ১৫০-২৫০ টাকা। আর ব্যাটারি চালিত রিকশায় গেলে আসা যাওয়ার ভাড়া পড়বে ৪০০-৬০০টাকা। এখানে যাওয়ার পথে উপভোগ করতে পারবেন সৈকত লাগোয়া আকাশ ছোঁয়া পাহাড় । হিমছড়ি রয়েছে পাহাড়ের হিম শীতল ঝরণা।

ইনানী সমুদ্র সৈকত

কক্সবাজার থেকে হিমছড়ি পাড় হয়ে আরও ৮কি.মি পূবে রয়েছে আরেক আকর্ষণ সৈকত ইনানী, যাকে বলা হয়, মিনি সেন্টমার্টিন। এখানে রয়েছে বিস্তীর্ণ পাথুরে সৈকত। সমুদ্র থেকে ভেসে এসে এখানকার ভেলাভূমিতে জমা হয়েছে প্রচুর প্রবাল। কক্সবাজার থেকে এখানে পৌছতে রিজার্ভ জীপ নিলে লাগবে ১৮০০-২৫০০ টাকা। ব্যাটারি চালিত রিকশা নিয়েও সারাদিনের জন্য ঘুরলে ভাড়া পড়বে ৮০০-১০০০টাকা।

মহেশখালী দ্বীপ

বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী। এখানে দেখার মূল আকর্ষণ  বিখ্যাত  আদিনাথ মন্দির । এছাড়াও এখানে রয়েছে খুবই মনোরম একটি বৌদ্ধ মন্দির। আঁকাবাঁকা সিঁড়ি ভেঙ্গে আদিনাথ পাহাড়ের চূড়ায় উঠলেই পাওয়া যাবে বিখ্যাত আদিনাথ মন্দির। এ দ্বীপের দক্ষিণে রয়েছে বিস্তীর্ণ সাগর আর পশ্চিমে বিশাল বিশাল পাহাড়। এখানে থাকার ব্যবস্থা নাই। কক্সবাজার থেকে সকালে গিয়ে এ দ্বীপটি ভালো করে দেখে আবার বিকেলের মধ্যেই ফেরা সম্ভব। কক্সবাজার ট্রলার ঘাট থেকে মহেশখালী যেতে পারেন স্পিড বোটে, সময় লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট, সেক্ষেত্রে ভাড়া পড়বে ১৫০ টাকা  অথবা ইঞ্জিন বোটে, যেতে লাগবে ১ ঘন্টা, এ ক্ষেত্রে ভাড়া লাগবে ৩০টাকা।

সোনাদিয়া দ্বীপ

কক্সবাজারে আরেকটি আকর্ষণীয় দ্বীপের নাম সোনাদিয়া। শীতে প্রচুর অতিথি পাখির দেখা মেলে এখানে। প্রায় ৪৬৩ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এ দ্বীপটিতে কক্সবাজার থেকে ইঞ্জিন বোটে গিয়ে আবার সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসা সম্ভব।

কুতুবদিয়া

কক্সবাজার জেলার আরেকটি দর্শনীয় স্থান কুতুবদিয়া দ্বীপ, যার আয়তন প্রায় ২১৬ বর্গ কিলোমিটার। এ দ্বীপের দর্শনীয় স্থান হলো বিখ্যাত প্রাচীন বাতিঘর, কালারমা মসজিদ এবং কুতুব আউলিয়ার মাজার। কক্সবাজারের কস্তুরী ঘাট থেকে কুতুবদিয়া স্পিডবোটে মাত্র ৪৫ মিনিটে যাওয়া যায়, যার ভাড়া ১৫০-২০০টাকা কিংবা খরচ বাচাতে যেতে পারেন ইঞ্জিন বোটে। এক্ষেত্রে সময় লাগে ২ ঘন্টার মতো আর ভাড়া ৫০-৭০ টাকা।

 টেকনাফ

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ভূমি টেকনাফ, কক্সবাজার থেকে যার দূরত্ব প্রায় ৮৫ কি.মি.। টেকনাফ হচ্ছে পাহাড়, নদী আর সমুদ্রের অনণ্য এক মিলনস্থল। চারিদিকে পাহাড় তার পাশদিয়ে বয়ে যাওয়া নাফ নদী। যেকারও ভাল লাগতে বাধ্য। এখানকার সৈকতকে বলা হয়, বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন সৈকত। এখানকার দর্শণীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে,  ঐতিহাসিক মাথিনের কূপ,শাহ পরীর দ্বীপ, কুদুম গুহা, টেকনাফ নেচার পার্ক । কক্সবাজার থেকে বাসে করে টেকনাফে যেতে ভাড়া লাগে ৮০-১২০টাকা অথবা মাইক্রোবাসে করে যেতে ভাড়া লাগে ১০০-১৫০ টাকা।

সেন্টমার্টিন দ্বীপঃ

1898117_527724667344826_1079957046_n
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবাল দ্বীপ। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মিয়ানমারের উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায়। বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। এ দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গকিলোমিটার। দ্বীপে প্রায় ৬৬ প্রজাতির প্রবাল ১৮৭ প্রজাতির শামুক-ঝিনুক, ১৫৩ প্রজাতির সামুদ্রিক শৈবাল, ১৫৭ প্রজাতির গুপ্তজীবী উদ্ভিদ ২৪০ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ, চার প্রজাতির উভচর ও ১২০ প্রজাতির পাখি পাওয়া যায়। মাছের মধ্যে রয়েছে পরী মাছ, প্রজাপতি মাছ, বোল কোরাল, রাঙ্গা কই, সুঁই মাছ, লাল মাছ, উড়ক্কু মাছ ইত্যাদি। কোনো কোনো পর্যটক ধারণা করেন,সেন্ট মার্টিন বিশ্বের সেরা দ্বীপের একটি। টেকনাফ থেকে জাহাজে করে ২.৫০ ঘন্টা ভ্রমন করে যেতে হয় সেন্টমার্টিনে। জাহাজের আসা-যাওয়ার ভাড়া পড়বে ৯০০-১৫০০টাকা। সেন্টমার্টিনে হোটেল ভাড়া পড়বে ৫০০ – ২০০০টাকা। এখানে গেলে রাত্রিযাপন না করলে আসল মজা পাওয়া যাবেনা। এখানে গিয়ে পযটকরা প্রচুর মাছ এবং ডাব খেয়ে থাকে।

কক্সবাজারে থাকার ব্যবস্থা

seagull

কক্সবাজারে রয়েছে পর্যটকের জন্য সাড়ে ৪ শতাধিক আবাসিক হোটেল মোটেল, রিসোর্ট এবং কটেজ।  এর মধ্যে কয়েকটির যোগাযোগ নাম্বার দিলাম এখানে। ঢাকা থেকেই ফোন দিয়েই বুকিং দিতে পারেন।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন কর্তৃক পরিচালিত মোটেল শৈবাল (ফোন -০৩৪১-৬৩২৭৪)
তারকা মানের সিগাল হোটেল (ফোন নং-০৩৪১-৬২৪৮০-৯১)
হোটেল সি-প্যালেস    (ফান নং-০৩৪১-৬৩৬৯২, ৬৩৭৯২, ৬৩৭৯৪, ৬৩৮২৬)
হোটেল সি-ক্রাউন (০৩৪১-৬৪৭৯৫, ০৩৪১-৬৪৪৭৪, ০১৮১৭ ০৮৯৪২০)
হোটেল মিডিয়া ইন্টারন্যাশনাল (০৩৪১-৬২৮৮১-৮৫     ৬২৮৮১-৮৫)
হোটেল ওসান প্যরাডাইস লি.    (০১৯৩৮৮৪৬৭৫৩) উল্লেখ্যযোগ্য।

এখানে এক রাত্রি যাপনের জন্য রয়েছে এক হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা দামের কক্ষ।

যারা থাকার জন্য এত খরচ করতে চাচ্ছেননা, তাদের জন্য কমমূল্যে থাকার হোটেলও রয়েছে। হোটের সীগালের পিছনে রোডে অর্থাৎ কলাতলি রোডের হোটেলগুলোতে মাত্র ৫০০ টাকাতেও থাকা যায়।

কক্সবাজারে যাতায়াত সম্পর্কিত তথ্য:

soudia

ঢাকা থেকে সৗদিয়া, এস আলম মার্সিডিজ বেঞ্জ, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, এস.আলম পরিবহন, মডার্ন লাইন, শাহ্ বাহাদুর, সেন্টমার্টিনসহ বিভিন্ন বাসে সব সময় আসা যায়। এতে এসি, নন এসি বাস রয়েছে। ভাড়া পড়বে ৯০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে।

যদি ট্রেনে যেতে চান, তাহলে কমলাপুর থেকে উঠতে হবে।

বিমানেও মাত্র ৪৫ মিনিটে কক্সবাজারে যাওয়া যায়। নিয়মিত কক্সবাজারে বাংলাদেশ বিমান, জিএমজি এয়ার লাইনস, ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজসহ অন্যান্য বিমান আসা যাওয়া করে। এক্ষেত্রে ভাড়া হবে ৮ হাজার টাকা।

বেসরকারি ভ্রমণসংস্থা

সব রকম ঝামেলা এড়িয়ে যারা পছন্দের জায়গাটিতে ভ্রমণ করতে চান, তারা সহায়তা নিতে পারেন অভিজ্ঞ কোনো ভ্রমণ সংস্থার। বিভিন্ন বেসরকারি ভ্রমণ সংস্থা নিয়মিত বিভিন্ন উৎসবকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন ভ্রমণ-গন্তব্যগুলোতে তাদের বিশেষ প্যাকেজের আয়োজন করছে।

অবকাশ পর্যটন লি.

এ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্যাকেজ রয়েছে । ঢাকা-সেন্টমার্টিন-ঢাকা ৪ রাত ৩ দিনের ভ্রমণ মূল্য ৮৫০০ টাকা। প্যাকেজ মূল্যের মধ্যে রয়েছে এসি বাসে যাতায়াত, সেন্টমার্টিনে অবকাশের নিজস্ব হোটেল নন-এসি রুমে থাকা, টেকনাফ থেকে জাহাজের প্রথম শ্রেণীতে সেন্টমার্টিন, খাবার, সাইট সিয়িং ইত্যাদি।

যোগাযোগ :অবকাশ পর্যটন লিমিটেড, শামসুদ্দিন ম্যানশন, ১০ম তলা, ১৭ নিউ ইস্কাটন, ঢাকা। ফোন-৮৩৫৮৪৮৫, ০১৫৫২৪২০৬০২।

পিআইপি ট্যুরস

এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করেও য়েতে পারেন ঝামেলা ছাড়া। ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা ৩ রাত ২ দিনের ভ্রমণ মূল্য ৭৫০০ টাকা। ঢাকা-সেন্টমার্টিন-ঢাকা, ৩ রাত ২ দিনের ভ্রমণ মূল্য ৬৫০০ টাকা।

যোগাযোগ :পিআইপি ট্যুরস, খ ৫৬/৩, প্রগতি সরণী, বারিধারা, ঢাকা।

ফোন :০২-৮৪১৫৬১৬, ০১৯১৫৫৪৪৪৫৫।

www.piptoursbd.com

বিচ নেটওয়ার্ক ট্যুরিজম

এ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন রকম প্যাকেজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো :ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা, ৫ দিন ৪ রাতের ভ্রমণ মূল্য ৪০০০-১৫০০০ টাকা। ঢাকা-কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন-ঢাকা, ৩ দিন ৪ রাতের ভ্রমণ মূল্য ৫৫০০-১৭৫০০ টাকা। কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন-কক্সবাজার, ২ দিন ১ রাতের ভ্রমণ মূল্য ২০০০-৩৫০০ টাকা। এ ছাড়াও এ প্রতিষ্ঠানের ৫০০ টাকায় হিমছড়ি ও ইনানী এবং ৭০০ টাকায় মহেশখালীতে অর্ধদিবসের গ্রুপ প্যাকেজ রয়েছে।

যোগাযোগ :হোটেল ডায়নামিক সি পার্ল, মেরিন ড্রাইভ রোড, কলাতলী মোড়, কক্সবাজার।

ফোন :০১৮২০০০৩৭৭৩।

আমার তোলা আরো কিছু সুন্দর ছবি এখানে শেয়ার করলা্ম

সেন্টমার্টিন (Saint martin) ইনানী বিচ (Inani Beach) হীমছড়ি ইনানী বীচ সেন্টমার্টিন (Saintmartin) সেন্টমার্টিন (Saint martin) সেন্টমার্টিনের যাওয়ার জাহাজ

  • Hridaysikder

    Onake sundor hoiche vi..really helpful..ami jabo for the 1st time eirokom ekta guide er dorkar chilo..Thank you so much !!!

  • payel

    boss ami jete chassi next mouth a mane eid ar porer din but cox bazar somporke amar kono dharona nai. ai time ta te ki jowya jabe.onnek a bolse ai somoy naki kono moja nai shagor naki onek uttal thake.plz help me