পেপাল এর বিকল্প চলে এসেছে! কিউ মাস্টারকার্ড বাংলাদেশ , সেরা অনলাইন পেমেন্ট সলিউশন!

অপ্রস্তুত আযহার

মীর আযহার আলি। পেশায় একজন ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট। পাশাপাশি অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও অন্যান্য বিষয়ে ব্লগে লেখালেখি করছেন। সাম্প্রতিক বিশ্বে ঘটে যাওয়া প্রত্যেকটি বিষয়ে তিনি আপডেট থাকতে পছন্দ করেন। তার বিভিন্ন লেখাগুলো পড়বে পারবেন জেনেসিসব্লগ, টেকটিউনস এবং সামহোয়ারইন ব্লগ থেকে।
টিউন করেছেন অপ্রস্তুত আযহার | July 20, 2016 02:57 | পোস্টটি 2,326 বার দেখা হয়েছে

আপনারা হয়ত অনেকেই জানেন গ্লোবাল অনলাইন পেমেন্ট মেথড Qcard Asia ইতিমধ্যে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। ঢাকায় একটি কার্যালয় স্থাপনের কাজ চলছে তাদের। এদের তৈরি প্রিপেইড ইন্টারনেট  পেমেন্ট কার্ড এবং ভার্চুয়াল কিউকার্ড দিয়ে অনলাইনে এখন থেকেই পেমেন্ট করা যাচ্ছে। আজকের পোষ্টে আমি তাদের কার্ড দিয়ে পেমেন্ট এর সুবিধা গুলি নিয়ে আলোচনা করছি।

কেন QCard সেরা অনলাইন পেমেন্ট সলিউশন?

গ্রাহকরা যারা একবার QCard ব্যবহার করেছেন, তারা একবাক্যে স্বীকার করেছেন Qcard হচ্ছে সেরা অনলাইন পেমেন্ট সলিউশন। QCard এর রয়েছে বেশ কিছু দারুণ ও সুবিধাজনক ফিচার যা এটিকে আর সকল পেমেন্ট সিস্টেম থেকে করেছে সম্পূর্ণ আলাদা। QCard এর কয়েকটি অসাধারন সুবিধার মধ্যে রয়েছে- কোন ব্যাংক একাউন্ট ছাড়াই যে কেউ রেজিস্ট্রেশন করতে পারে, সহজ ভেরিফিকেশন শেষে অল্প সময়ের মধ্যে কার্ড হাতে পাওয়া যায়, বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনে পেমেন্ট করা যায়, কোন প্রকার মাসিক বা বাৎসরিক ফি দিতে হয় না।

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশ

QCard এর সুবিধাঃ কেন আপনি একটি QCard এর অর্ডার দেবেন?


মাস্টারকার্ড বাংলাদেশ ফার্স্টসব থেকে সহজ এবং সবচেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন

দ্রুত রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা এবং সহজ পেমেন্ট প্রসেস এর কারণে QCard কে বিশ্বব্যাপী গ্রাহকরা সেরা অনলাইন পেমেন্ট মাধ্যম হিসেবে গ্রহন করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ছাড়া আমাদের ভার্চুয়াল প্রিপেইড কার্ড যে কেউ নিতে পারবেন, এবং যেকোনো কাজে পেমেন্ট করতে পারবে যখন খুশি তখনই! এখন থেকে আর পেমেন্ট করে বসে থাকতে হবে না কতক্ষনে পৌঁছায় তা দেখার জন্য!


no-feesকোন ফিস নেই

QCard ব্যবহারে সবথেকে বড় সুবিধা হল আপনাকে কোন প্রকার মেইন্টেনেন্স চার্জ দিতে হবে না। একবার নির্দিষ্ট পরিমান পেমেন্ট করলেই আপনার কার্ডটির আজীবন মেয়াদ সৃষ্টি হবে। এই ক্ষেত্রে কোন প্রকার মাসিক, বাৎসরিক কিংবা হিডেন চার্জ দিতে হবে না।

কোন ক্রেডিট চেক প্রয়োজন নেই

QCard ক্রেডিট চেক করার ক্ষেত্রে সমস্ত বাঁধা অতিক্রম করতে আপনাকে সাহায্য করবে। আপনি এই পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করতে পারবেন, আপনার ক্রেডিট হিস্টোরি যাই হউক না কেন। এবং যেহেতু আপনার ব্যক্তিগত কোন তথ্য প্রকাশ করছে না QCard, তাই আপনার পক্ষে এই কার্ড ব্যবহার করে যেকোনো কাজে পেমেন্ট করতে কোন বাঁধাই থাকছে না।

globe, group of the people and notebook on white backgroundবিশ্বজুড়ে গ্রহণযোগ্য অনলাইন পেমেন্ট সলিউশন

QCard আপনাকে দিচ্ছে একটি ভার্চুয়াল কার্ড যা পৃথিবীর কয়েক লাখ মার্চেন্ট ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা যাবে পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে। আপনি একটি QCard  পেমেন্ট করার পর অতি অল্প সময়ে তা পৌঁছে যাবে যেকোনো পক্ষের কাছে। এই জন্য আপনার কোন ব্যাংক একাউন্ট থাকারও প্রয়োজন নেই। আপনার ফান্ড নিশ্চিন্তে জমা রাখুন আপনার প্রিপেইড ভার্চুয়াল কার্ডে, এবং কেনা কাটা করুন যা খুশি, পেমেন্ট করতে পারবেন মুহূর্তের মধ্যে।

QCard একটি গ্লোবাল কোম্পানি

QCard হচ্ছে মুলত একটি নিউজিল্যান্ড ভিত্তিক অনলাইন পেমেন্ট সলিউশন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের মোট ৭ টি রিপ্রেজেন্টেটিভ অফিস আছে। আপনি ৭টি ভাষায় আপনার কার্ড সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করতে পারবেন। ঢাকায় অফিস ও বাংলা সাপোর্ট সার্ভিস থাকার ফলে আপনি পাবেন সবথেকে বেশি সুবিধা।

সবচেয়ে নিরাপদ অনলাইন পেমেন্ট পদ্ধতি

আপনি আপনার কার্ডে যে পরিমান টাকা লোড করবেন, তার সমই ব্যয় করতে পারবেন কোন প্রকার বাড়তি ফিস ছাড়াই। তাছাড়া এখানে আপনার সমস্ত তথ্য সম্পূর্ণ নিরাপদ, বাইরে প্রকাশ পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। আপনার প্রত্তেকটি লেনদেনের তথ্যও গোপন রাখা হবে। শুধু তাই নয়, QCard এর আছে বিশ্বসেরা সিকিউরিটি প্রযুক্তি ও এনক্রিপসন সিস্টেম। ফলে আপনার টাকা হ্যাক হওয়ার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই।

কোন প্রকার ঝুঁকি ছাড়াই পেমেন্ট

কিউ কার্ড হচ্ছে মুলত প্রি পেইড কার্ড। এর ফলে কোন প্রকার ক্রেডিট রিস্কে আপনাকে পড়তে হবে না QCard ব্যবহার করতে গিয়ে। আপনি ক্রেডিট হিস্টোরি যাই থাকুক না কেন, আপনি অনায়াসে QCard ব্যবহার করে লেনদেন চালিয়ে যেতে পারবেন কোন ঝামেলা ছাড়াই। এছাড়াও আপনি QCard এ পাচ্ছেন আপনার ব্যয় নিয়ন্ত্রনে রাখার সুযোগ। এই ক্ষেত্রে আপনার লোড ক্রয়া টাকার অতিরিক্ত কোন টাকা চার্জ হবে না, ফলে ক্রেডিট খরচের সুযোগ নেই।

no-risk

কোন কোন কাজে কিউ কার্ড ব্যবহার করা যাবে?

১. অ্যামাজন, ইবে, আলিবাবা সহ সকল অনলাইন রিটেইল শপ থেকে কেনাকাটা করা যাবে।

এই নিয়ে আমার একটি বিস্তারিত ব্লগ পোষ্ট পড়ুনঃ অনলাইনে শপিং 

২. ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব, টুইটার সহ সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া ও অন্যান্য গ্লোবাল অবেবসাইটে বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে।

এই নিয়ে আমার একটি বিস্তারিত ব্লগ পোষ্ট পড়ুনঃ ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিন

৩. যেকোনো ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে দেশের বাইরে পেমেন্ট পাঠানো যাবে।

এই নিয়ে আমার একটি বিস্তারিত ব্লগ পোষ্ট পড়ুনঃ অনলাইনে টাকা পাঠান

৪. জিআরই, জিম্যাট, টোফেল সহ সকল প্রতিযোগিতামূলক পরিক্ষার ফি প্রদান করা যাবে। সেই সাথে অনলাইনে বাইরে থেকে কোর্স করার ফি প্রদান করা যাবে।

এই নিয়ে আমার একটি বিস্তারিত ব্লগ পোষ্ট পড়ুনঃ জিআরই, টোফেল পরিক্ষার রেজিস্ট্রেশন ফি পরিশোধ করুন অনলাইনে

৫. গুগল প্লে, আপল স্টোর সহ আরও অনলাইন স্টোর থেকে সফটওয়্যার, অ্যাপ ও গেইম কেনা যাবে। গেমের ভেতরে প্রিমিয়াম সার্ভিস কেনা যাবে। গেমের জেমস কেনা যাবে।

এই নিয়ে আমার একটি বিস্তারিত ব্লগ পোষ্ট পড়ুনঃ ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যান এর জেমস কিনুন

৬. অনলাইনে যেকোনো সাইট থেকে ডোমেইন হোস্টিং কেনার জন্য পেমেন্ট করা যাবে।

এই নিয়ে আমার একটি বিস্তারিত ব্লগ পোষ্ট পড়ুনঃ ভাল সাইট থেকে ডোমেইন হোস্টিং কিনুন অনলাইনে

এছারাও প্রায় সব ক্ষেত্রেই অনলাইনে পেমেন্ট করা যাবে। তাহলে আর দেরি কেন? উল্লিখিত কাজ গুলোর যেকোনোটি যদি আপনার করার প্রয়োজন পড়ে তাহলে আপনার জন্য একটি কিউকার্ড নেওয়া  আজই প্রয়োজন। QCard এর ব্যবহার ও সুবিধাবলি জানুন এখান থেকেঃ Online Payment Bangladesh

আরও বিস্তারিত জানুন তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকেঃ www.qcardasia.com