জেনে নিন: সফল ব্যাক্তিরা যেসব বাক্য শুনতে পারে না

ব্লগার রিফাত

খাওয়া, ঘুম আর ফেসবুকে আড্ডা । সারাদিন সব ইজি কাজ নিয়ে বিজি। বর্তমানে সিভিন লি: এর জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে আছি। ব্যাবসা বানিজ্য নিয়েটুকটাক সাধনা। লেখাপড়া করছি সাংবাদিকতা বিভাগে।
ফেসবুকে অাড্ডা দিলে এড হতে পারেন আমার সাথে--- https://www.facebook.com/JuniorRefath
টিউন করেছেন ব্লগার রিফাত | November 26, 2015 13:57 | পোস্টটি 2,597 বার দেখা হয়েছে

সাফল্য রাতারাতি পাওয়ার মত কোনো বিষয় নয়।এর জন্য অনেক কঠোর পরিশ্রম, সময় এবং অনেক কিছুই উৎসর্গ করতে হয়। প্রতিটি সফল নেতা, উদ্যোক্তা বা আদর্শবাদী বাক্তির ই তাদের নিজস্ব ভিন্ন যাত্রার কাহিনী রয়েছে যেখানে তারা সংগ্রাম এর মাধমে বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সমাজকে প্রমান করে দেখিয়েছে যে তারা যদি মন থেকে চায় তাহলে তারা সকল বাধা অতিক্রম করতে সক্ষম।যদিও তাদের সকলের পথই আলাদা আলাদা কিন্তু তাদের লক্ষ্য একটাইঃ সাফল্য।

এই সফল ব্যক্তিদের একত্র হয়ে থাকার পিছনে অনেক কারন রয়েছে, যার মধ্যে একটি হল যে তারা কিভাবে বড় হয়েছে এবং তাদের যাত্রার সাথে মানিয়ে নিয়েছে।Stev Siebold  লেখক,  “ধনী লোকেরা কিভাবে চিন্তা করে” তিন দশক ধরে এক হাজারের বেশী সাক্ষাত্কার দিয়ে তিনি শিখিয়েছে যে, কি তাদেরসাফল্যএবংসম্পদএর দিকে নিয়ে যেতে পারে ?।

এই উত্তরটা খুবই সহজ ছিলঃ স্টিভ শিখেছিলেন যে এইটা কোনো ব্যাপার না যে আমরা কোথায় জন্ম নিয়েছি অথবা কার থেকে নিয়েছি,যা সত্যি তাদের ধনী বানিয়েছে তা হল তাদের মানসিকতা, যখন তারা তাদের লক্ষ্যতে যাত্রা শুরু করেছিল তখন তার কখনই পিছনে ফিরে দেখেনি।

এখানে সাতটি  বাক্য রয়েছে যা কখনই একটি সফল ব্যক্তি বলতে শুনতে পাবেন না কারন তাদের অরোধ্য  বিপরীত মনোভাব।

Key to Success

১. আমি আমার কাজকে ঘৃণা করিঃ

এ সকল সফল মানুষেরা তাদের পেশা বা কর্মক্ষেত্রে সম্পর্কে খুব জেদী হয় না এবং নির্বিশেষে তারা জীবনে কোন সময়ে অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছেন এমন হতে পারে।তারা যদি কখনও এমন একটি পরিস্থিতির মধ্যে আছে যা অস্বস্তিকর বা তাদের নেতিবাচক শক্তি দিয়ে বেষ্টিত করে তাহলে তারা সবসময় তা উপরের নিয়মে এড়িয়ে চলে।এই নেতিবাচক উপাদান গুলো আপনার যাত্রা পথে সাফল্য অর্জনে বাধা ছাড়া আর কিছুই না।একজন ব্যক্তির, পেশা বা কোম্পানি অপমান করার পরিবর্তে তারা সঠিক তথ্য, কৌশল এবং সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সঙ্গে সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করে।

.এটা ঠিক নয়ঃ

যখন আপনি পুরোপুরি উৎসর্গকারী ও উতপাদনশীল হিসেবে দু দু বার চেষ্টা করেছেন তখন কি  আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী একটি পুরস্কার, মূল্যায়ন, বা স্বীকৃতি পেয়েছে র আপনি কিছুই পাননি এমন হয়েছে?সফল মানুষ  একটি ভুল কখনই করে না তা হল গাল ভরে বক্তৃতা এবং জীবনের অবিচার সম্পর্কে প্রলাপ।আপনি কিছু পক্ষপাতদুষ্টতা ব্যবহার করতে পারেন তবে আপনাকে এটা অর্জন করতে কাজ করতে হবে, এবং আপনাকে এটা দেখাতে হবে যে এটা আপনারই প্রাপ্য।

.এটা এমন নয় যেটা এখানে করা হয়েছেঃ

সফল মানুষের একটি বৈশিষ্ট্য হল আবিষ্কার সেটা তারা যে ক্ষেত্রে ই থাকুক না কেন।আপনাকে  নতুন কিছুর সাথে আলিঙ্গন  করা শিখতে হবে এবং নিয়মাবলী জানার আছে তাই দূরে থেকে ভয় পাবেন না।কেউ কখনও নতুন কিছু করার চেষ্টা ছাড়া মহান কিছু অর্জন করতে পারে না।

উদাহরণস্বরূপ স্টিভ জবস কে নিন: তিনি আবিষ্কারের সম্পর্কে খুব উৎসাহী ছিলেন যা তাকে iPhone ও iPad এর মত দুনিয়া পরিবর্তনকারী বিস্ময়কর যন্ত্র সৃষ্টি করতে সক্ষম করেছে।জবস বলেন ‘আবিষ্কারই নেতা ও অনুসারীর মধ্যে পার্থক্য করে দেয়’।

ইনক সভাপতি, ব্যবসার ক্ষেত্রে  একটি খোলা মন পালন এবং কর্মক্ষেত্রে উদ্ভাবন সম্পর্কে ব্যবসা ভেতরের  কিছু পরামর্শ দেন।  “আপনি যদি কার ও ধারণা সাথে অসম্মতি হন তবু ও বলুন ‘বাহ, এটি আকর্ষণীয় একটি চিন্তা।এটি কিভাবে যে কাজ করে? “অথবা বলুন ‘যে চল একটি ভিন্ন পদ্ধতির জন্য আগপাছ আলোচনা করি ” নতুন কিছু করার চেষ্টা করতে হঠকারী ও ভয় কোরো না – এটি সাফল্য অর্জনের উপায় না!

1277394

.এটি আমার কাজের মধ্যে পরেনাঃ

সাফল্যর একটি বড় দিক আছে যা সাফল্যবান বাক্তিরা করে থাকে তা হল আপনি যদি সত্যিই সফল হন, তাহলে আপনি অন্যদের সফল করতে সহায়তা করবেন।এই ব্যাপারে জনাব ওয়াররেন বুফফেত্ত এর থেকে একটি উদাহরন নেওয়া যায় যিনি বলেছিলেন, একজন আজ ছায়ায় বসে আছে কারন অনেক বছর আগে একজন এই গাছটি লাগিয়েছিল।

একটি দলের খেলোয়াড় হওয়া আপনাকে সাফল্যর কাছে নিয়ে যেতে সাহায্য করে এবং আপনি যদি একটি দলের সদস্য না হন তাহলে সাফল্য কখনই আপনার কাছে আসবে না। আপনি যদি সফল হতে পারেন, সমৃদ্ধ হতে পারেন, কিন্তু আপনার কর্মীদের এবং আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের কঠোর শ্রম এবং উৎসর্গ আপনার সাফল্য এবং খ্যাতি পিছনে আসল কারণ।

.ঐটি অসম্ভবঃ

সফল মানুষেরা জানেন যে তাদের গণ্ডি এবং সীমা শুধুমাত্র তাদের মনের সৃষ্টি,বং আমরা নিজেরাই এই সীমাবদ্ধতার জন্ম দেয়।এই ধরনের কথা আপনাকে কৃতজ্ঞতা অর্জন থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। অর্জনকারীরা কখন তাদের বাধা বা প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে অভিযোগ না, বরং এর পরিবর্তে তারা অবমুক্ত চারপাশ থেকে একটি উপায় খুঁজে বের করে  এবং তাদের সৃজনশীলতা ব্যবহার করে তাদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়।

না করবে না, না পারেন এবং অসম্ভব এর মত নেতিবাচক শব্দ কখনও সফল ব্যক্তিদের মুখ  থেকে শুনা যায় না।তারা জানে যে অভিযোগকারী তাদেরকে সাহায্য করবে না, কিন্তু আসলে হাতের কাজই তাদের এই ব্যাপাররে আসল সাহায্যকারী।

আমি করতে পারতামঃ

একজন সফল বাক্তির কাছে পরিতাপ করাটা সবচেয়ে খারাপ অনুভুতি,যখন  তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য কিছু “আছে পারে” বা পরিস্থিতির হাত ছিল বা অন্যথায় তাদের  এখন বুঝতে যে তারা  “থাকতে হবে।”সফল ব্যক্তিদের নিজেদের দু:খ প্রকাশ করার সুযোগ দেন না।এর পিছনে দুটি কারন হয়ঃহয় তারা সুযোগ নিচ্ছে কোন ব্যাপার শ্রেষ্ঠতা নিতে, অথবা তারা অপেক্ষায় আছে যে আরেকটি সুযোগ পাবেন।পরিতাপ কখনও কেউকে বাচায় না।

আমার কোন উপায় ছিল নাঃ

এখানে হাতে সবসময়ই উপায় বা সুযোগ রয়েছে এবং সফল মানুষরা জানে যে কিভাবে এই সুযোগ গুলোকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের পথ তৈরী করে নিতে হয়।নির্দিষ্ট মূল্য মতে এখন আমাদের নিজেদের কে বোঝানো ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় নেই যে আমরা এইটার শিকার এবং আমরা আমাদের পরিবেশের চেয়ে কম শক্তিশালী।

## বি:দ্র: আমার মত এরকম অলস মানুষের থেকে এরকম লেখা কালেক্ট করা অবিশ্বাষ্য কিন্তু কথা গুলো বাস্তব এবং সত্য।

 ফেসবুকে আমি : রিফাত