রিপিট নাকি রি-রাইট? একটি দারুণ ব্লগের সফলতা ধরে রাখার জন্য ৫ টি টিপস

টিউন করেছেন Farhan Mahmud Akash | June 14, 2015 12:42 | পোস্টটি 649 বার দেখা হয়েছে

rsz_blog-492184_1280-760x400

একটি সুন্দর আর সফল ব্লগ লেখার আগে আমাদের অনেক কাঠ খোঁড় পুরানো লাগে বা বেশ কিছু ধাপের মধ্যে দিয়ে যাওয়া লাগে । একটি ভাল কি-ওয়ার্ড খুঁজে বের করা, একটি ভালো শিরোনাম বা হেড লাইন তৈরি করা আর আপনার আইডিয়া গুলো কে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করা এই ধাপ গুলোর মধ্যে পড়ে। এই কাজ গুলো বা ধাপ গুলো বেশ সময় বেহুল ও বটে। কিন্তু এই ধাপগুলো সফল ভাবে করতে পারলেই আপনার ব্লগকে সফলতার চূড়ায় আর আপনাকে খ্যাতির শীর্ষে যাওয়ার থেকে কেউ থামাতে পারবে না।

এখন সফলতা তো পেয়ে গেলেন…এখন নিশ্চয়ই চাবেন এই সফলতা কে ধরে রাখতে। দ্বিধাতে পরবেন যে আপনি কি পুনঃরাই এই ব্লগ তি নতুন করে লিখবেন নাকি নতুন বা এই টপিক এর কাছাকাছি আরেকটি ব্লগ লিখবেন? নিম্মলিখিত ৫ তি টিপস পরলেই আপনার দ্বিধা গুলো দুর হবে আশা করছি।rsz_blog-492184_1280-760x400
১. আপনার ব্লগটা কতো পুরন?

একটি ব্লগের জীবন সীমা বা বয়স সীমা সাধারণত ২ থেকে ৩ বছরের বেশি না।আই সময় সীমার বাইরে যেইসব ব্লগ থাকে সেহগুলির কথা মানুষ বা ব্লগ পাঠক রা সাধারণত ভুলে যেয়ে থাকে। আপনার ব্লগ পোস্টটি এই সময় সীমা আতিক্রম করলেই বুঝে নিবেন নতুন কোন টপিক নিয়ে ব্লগ পোস্ট করার সময় এসে গেছে।

২. আপনার ব্লগ পোস্ট টি প্রথমে কেমন সফলতা অর্জন করেছিল আর এখনো কি সেই সফলতা ধরে রেখেছে কিনা?

আপনার লেখা ব্লগটির ট্রাফিক বা শেয়ার করার প্রবণতার দিগে কড়া নজর রাখুন। সেটা যদি আগের থেকে কমে গিয়ে থাকে,তাহ আপনার ব্লগ তি আবার নতুন করে লেখার সময় হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখন যদি ব্লগটি বিশাল পরিমাণ ট্রাফিক টেনে আনে বা প্রচুর পরিমাণ শেয়ার হয়ে থাকে তাহলে ব্লগটিকে সামান্য পরিমাণ সংশোধন করলেই আবার পুনরাই চালিয়ে যেতে পারবেন। হয়তোবা আরও অনেক বেশি ট্রাফিকও টেনে আনতে পারবেন ব্লগতিতে।

৩. আপনি কি আপনার ব্লগটির জন্য আসলেই কৃতিত্ব পাচ্ছেন?

আপনি একটি সুন্দর আর সফল ব্লগ লেখার পর অনেকেই আপনার ব্লগটির আইডিয়াগুলো এইদিক ওইদিক করে বা সরাসরি নকল করে নিজের বলে চালিয়ে দিয়ে আপনার শব কৃতিত্ব নিজেই নিয়ে নিবে,আর আপনি কিছুই পাবেন না। আমি এইরকম একজন ব্লগার কে চিনি যে খুব সুন্দর একটি হেল্‌থ টিপস নিয়ে ব্লগ লিখেছিল যেটি আরেকজন ব্লগার খুব সুন্দর ভাবে সরাসরি নকল করে নিজের নামে চালিয়ে দিয়ে আসল লেখকের কৃতিত্ব শব ছিনেয়ে নিয়েছিল।
এইরকম আপনার সাথে হলে সঙ্গে সঙ্গে গুগল করতিপক্ষ কে জানিয়ে দেওয়া উত্তম।কিন্তু যা হওার হয়ে গেচে, এখন পুনরাই সেই বিষয়ের উপর আরেকটি ব্লগ পোস্ট লিখার পরামর্শ দিব।

 

৪. ব্লগ পোস্টটি লিখতে আপনার কত সময় লেগেছিল?

আপনার পুরনো পোস্টটি যদি একদমই নতুন কোন বিষয় নিয়ে হয়ে থাকে তাহলে সংগত কারণেই আপনার পোস্টটি লিখতে বেশ খানিকটা সময় দিতে হবে, পোস্টটির জন্য নতুন তথ্য যোগাড় করার পিছনেই যাবে অনেক সময়।কিন্তু পোস্টটি লেখার জন্য সব তথ্য যদি আপনার কাছে আগে থেকেই থাকে তাহলে পোস্ট তি এক্তু এইদিক ওইদিক করে নতুন ভাবে লিখলেই ভাল হবে।

৫. আপনার পোস্টটি বর্তমান সময়ের সাথে কতোটা মানানসই বা উপযোগী?

ভাবুন আপনি এমন একটা ব্লগ পোস্ট লিখেছেন যেটা বর্তমান সময়ের এমন এক বিষয় বা টপিক যা বেশ আলোড়ন বা কৌতূহল এর সৃষ্টি করেছে। এই ধরনের পোস্ট যে শফল হবেই তা আমি ১০০% নিশ্চিন্ত ভাবে বলতে পারি। কিন্তু সব ব্লগ এর একটি বয়স সীমা বা সফলতা ধরে রাখার সময় থাকে, যা আমি আগেই বলেছিলাম। ধরুন আপনে হালের জনপ্রিয় কোন চিত্রনায়ক কে নিয়ে ব্লগ লিখেছেন।এখন ৩-৫ বছর পরের কথা ছিন্তা করুন, তখন কি এই চিত্রনায়ক কে নিয়ে শেই পরিমাণ ইন্টারেস্ট থাকবেসবার মাঝে…বা তাকে নিয়ে নতুন কোন তথ্য কি আপনার হাতে লাআগবে? এইসব বেপারের দিগেই আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে।

আর কিছু খেয়াল বা মাথাতে রাখার মত বিষয় :
নতুন একটি ব্লগ লেখার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যে নতুন পোস্টটি যেন পূর্বেরটা থেকে সামান্য লম্বা বা দীর্ঘ হয়। এই ভাবে আপনার বেশ কিছু নতুন আইডিয়া আপনি শবার সামনে উপস্থাপন করতে পারবেন, যা দ্বারা আশা করা যায় আর ট্রাফিক আপনার ব্লগ এর দিগে অগ্রসর হবে।

যদি আপনি আপনার পুরনো পস্তি আবার একটু এইদিক ওইদিক করে নতুন ভাবে উপস্থাপন করতে চান তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, শুরুতে বা শেষে নতুন কিছু তথ্য বা ব্যাবহার উপযোগী টিপস যোগ করে দিতে।এই বাহবে পোস্টটির একঘেয়েমি কিছুতা কমে আসবে।

 

আশা করছি আমার আই পোস্ট তি আপনাদের কিছুটা সাহায্য করতে পেরেছে ব্লগ লেখার ব্যাপারে। আপনাদের কিছু বলার বা যোগ করার থাকলে অবশ্যই কমেন্ট সেকশন এ লিখে ফেলবেন।