অনলাইন ব্র্যান্ডিং এবং বিল্ড আপ অথোরিটি

Rumana Zaman Nupur

Hey, I am SEO expert & Graphic designer. Especially I am expert in Keyword research, Article writing, E-mail-marketing & Graphic designining. I am also interested to know & to learn new topics.
টিউন করেছেন Rumana Zaman Nupur | June 8, 2014 07:36 | পোস্টটি 2,665 বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ব্র্যান্ডিং এবং বিল্ড আপ অথোরিটি


Online branding

Online branding

অনলাইন ব্র্যান্ডিং এবং বিল্ড আপ অথোরিটির মধ্যে পার্থক্য কি? কেউ কেউ এটা একই মনে করে, কিন্তু বাস্তবে এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারে। আপনার ব্র্যান্ডকে বা অনলাইন মার্কেটিংকে প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রকাশ করার জন্য অনলাইন ব্র্যান্ডিং একটি পন্থা, বিশেষত সামাজিক এবং অনুসন্ধান ক্ষেত্রে।

একজন দক্ষ ব্র্যান্ড স্পেশালিষ্ট মারটি নিউমেয়ার বলেছেন, “ব্র্যান্ড লোগো, রঙ, প্রডাক্ট বা ছবি দেখে নয় বরং গ্রাহকের মানসিকতা এবং অনুভূতির উপর নির্ভর করে, যখন সে আপনার এবং আপনার ব্যবসার সাথে যুক্ত হয়।“

এম্নিলা স্পেনেলি, সিইও, তার মতে, “একটি ভাল কোম্পানি তাদের গ্রাহকদের অনুভূতিকে প্রাধান্য দেয়।“

বিল্ড আপ অথোরিটিকে একটি ব্র্যান্ড প্রমাণের জন্য অনলাইনের প্রতিটি পদক্ষেপ পরবর্তী লেভেলের অনলাইন ব্র্যান্ডিং এ কাজে লাগে। এটি খুব সহজেই করতে পারেন শুধু একটি ব্লগ সাইট​​বা সামাজিক মিডিয়াতে অ্যাকাউন্ট করে, ফ্রি ব্লগ সাইট করতে পারেন, যেমন ব্লগার.কম, আর আমরা সাধারণত সামাজিক মিডিয়ার মাঝে ফেসবুক ব্যবহার করি। এছাড়াও অনেক সামাজিক মিডিয়াআছে, যেমনঃ গুগল প্লাস, লিঙ্কডইন, টুইটার প্রভিৃতি। আপনার অনলাইন ব্র্যান্ডকে প্রকাশের জন্য অনলাইন ব্র্যান্ডিং এবং বিল্ড আপ অথোরিটি তৈরি করার কিছু উপায় নিম্নরূপঃ

 

কন্টেন্টসহ ব্লগটি ​​শুরু

ব্লগ তিনটি কারণে প্রডাক্টেরজন্য উপকারী, যথা

  1. সার্চ ইঞ্জিনের র‍্যাঙ্কে ভাল স্থান পেতে সহায়তা – গুগল প্রতিনিয়ত আপডেট হয়, এবং গুগল সে সব ওয়েবসাইটকে পছন্দকরে যেসব সাইটে ইউনিক কন্টেন্ট আছে এবং প্রতিনিয়ত আপডেট হয়।এক্ষেত্রে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করা ভাল। MattCuttsবলেছেন,“ব্লগারদের উপস্থাপনার জন্য তার এসইও এর মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস এর ৮0-৯0 % এসইও করে দেয়।“

 

  1. ব্লগকে সামাজিক মিডিয়া সাইটে শেয়ার করার জন্যসাইটে অসাধারণ কন্টেন্ট থাকা জরুরি।যদি শুধু পণ্য এবং বিক্রয় পেজ থাকে, তবে গ্রাহকদের আকষণ করা কষ্টকর হয়। কিন্তু যদিআপনি আপনার প্রডাক্ট এবং কোম্পানি সম্পর্কে গুরত্বপূর্ণ ​​পোস্ট ব্লগে রাখেন, সেক্ষেত্রে সামাজিক শেয়ারে গ্রাহক অনেক বেশি হওয়াটা স্বাভাবিক।

 

  1. একটি অসাধারণ ব্লগ আপনার ব্র্যান্ডেরনিস এর উপরে বিল্ড আপ অথোরিটি পেতেসাহায্য করে। আপনার পণ্য সম্পর্কে আপনার কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন।
    • টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমে
    • Infographicsএর মাধ্যমে
    • ভিডিও এর মাধ্যমে
    • সাক্ষাতকার এর মাধ্যমে
    অসাধারণ কন্টেন্ট আপনার ভিজিটর বদ্ধি করে।এর একটি বড় উদাহরণ একটি ব্লগ ​​– KISSmetrics এ infographics আছে, এবং টুইটে এটি 3,500 বার দেখা হয়েছে।

blogging

কিন্তু সত্যিকার অর্থে ব্লগিং এ ব্র্যান্ডিং নিয়ে অনেকের মাঝেই কিছু ভয়ও কাজ করে।

ব্লগে তাদের সম্পর্কে কিছু থাকবে না, কিন্তু প্রত্যেকেই ব্লগে কিছু খুঁজে পাবে।আপনাকে কেবল টার্গেট ভিজিটরএর জন্যসম্প্রসারিত হতে হবে। যেমনঃ কল্পনা করুন, আপনার একটি টোপ দোকান ছিল,তাই আপনি কৃমি এবং ঝিঁঝিঁ সম্পর্কে সব সময় লেখার কারণেঅনেকেরই মনোযোগ পাবেন না।কিন্তু আপনি যদি বৃহত্তর বিষয় নিয়ে চিন্তা করেন; যেমন প্রানঘাতী ক্যাচ বা নদী দানব সম্পর্কে ব্লগ করতে পারেন অথবা আপনি পরিবেশগত বিষয় সম্পর্কে ব্লগ করতে পারেন। সহজভাবে বলতে গেলে, চিন্তাভাবনাগুলিকে প্রসারিত করুন।
আরেকটি ভয় হল, ” বানিজ্যিক গোপনীয়তা ” প্রদান করে তাদের ব্যবসা নষ্ট হয়ে যাবে।এইজন্য গ্রাহকদেরকে শুধুই তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে এবং এজন্য তারা লিঙ্ক বিল্ডিং কে সবচাইতে ভাল পন্থা মনে করে, বিশেষতযারা এসইও করে, কিন্তু এটিসঠিক নয়। টিউটোরিয়াল দিতে হলে বেশির ভাগ সময়ে মনে করা হয়, একটি সম্ভাব্য গ্রাহক আপনার ব্র্যান্ড কি সেবা দিচ্ছে, তা দিলেই হবে, কিন্তু গ্রাহকেরআপনার সার্ভিস সম্পর্কে ধারণা পেল, ব্র্যান্ডসম্পর্কে নয়। তারা নিশ্চিত বোধ করে তখনি, যখন আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কেকন্টেন্ট প্রদর্শনের দক্ষতা দেখে,সেজন্য তারা আপনার সাথেই যাবে।
ব্লগেকন্টেন্টের পেছনে আপনার ব্র্যান্ড কেনিশ্চিত করতে হবে. আপনি একটি সাবডোমেন ( blog.yourbrand.com ), বা একটি পৃথক সাইট হিসাবে ( yourbrandblog.com ) হিসাবে , আপনার ডোমেইন ( yourbrand.com / blog) আপনার ব্লগে আছে কিনা এবং আপনার ব্র্যান্ডের সাথে মিল থাকতেহবে। ব্র্যান্ডিং এর উদাহরণ হিসেবে দক্ষিণ পশ্চিম এর সাইট এবং ( পৃথক ডোমেইন নেভিগেশন ) ব্লগ দেখতে পারেন।

blog
গেস্ট ব্লগ
গেস্ট ব্লগিং আপনার অনলাইন ব্র্যান্ড এবং অথোরিটি গড়ার সবচাইতে ভাল উপায়. এর প্রধান লক্ষ্য টার্গেট ভিজিটরযারা আপনার ব্র্যান্ড এ আগ্রহী হবে, তাই একটি ব্লগ খুঁজে বের করে তাতে ভাল কন্টেন্ট যোগ করতে হয়।
নিজের সাইটের জন্য তৈরি কন্টেন্ট অন্য সাইট এর ব্লগের কন্টেন্টের চেয়ে আরও ভাল করে তৈরি করা উচিৎ। কারণ আপনি যে কন্টেন্ট ব্লগের মালিক,তার কন্টেন্টকে সামাজিক শেয়ার, মন্তব্য করতে এবং ট্রাফিক তৈরি করতে চান।অন্যদের জন্য গেস্ট পোস্ট তৈরি করার সাথে সাথে ভবিষ্যতে রেফারেন্সের জন্য ​​গেস্ট পোস্ট লিঙ্কটি সংরক্ষণ করবেন, ভিজিটর যেন আপনার কন্টেন্ট দেখে সন্তুষ্টহয় এবং বারে বারে ফিরে আসে, এবং এতে আপনার ব্র্যান্ডিং ও হয়ে যায়।

এ সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন থাকলে ফেসবুকে করতে পারেন।

আগামি পর্বের আলোচ্য বিষয়ঃ

আপনার ব্র্যান্ডিং এবং ব্লগিং এ গেস্ট আনার জন্য প্রধান কিছু টিপস

অবশ্যই আগামী পর্ব পড়তে ভুলবেন না।