মোবাইল মার্কের্টিং শিখুন ব্যবসায় দ্রুত লাভবান হউন

faruque rajbari

I am Faruque Hossain. I am a SEO , SMM & SEM specialist. I like to do work with the new online marketing revolution. I also like spinning free articles. I always try to write my best something that is free of copy- paste task.
টিউন করেছেন faruque rajbari | June 5, 2014 00:12 | পোস্টটি 2,076 বার দেখা হয়েছে

মোবাইল মার্কের্টিং শিখুন ব্যবসায় দ্রুত লাভবান হউন


আমরা অনেক রকমের মার্কের্টিং যেমন, কনটেন্ট মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি সম্পর্কে জানি কিন্তু মোবাইল মার্কটিং এর সম্পর্কে আমরা কী জানি! হাঁ মোবাইল ব্যবহার করে আরো বেশি সফলভাবে আপনার যেকোন কিছুকে প্রচার ও বিক্রয় করতে পারেন।

mobile sms

মোবাইল মার্কেটিং এর বিভিন্ন ক্ষেত্র রয়েছে সেগুলো হলোঃ

১) এসএমএস(SMS) মার্কেটিংঃ এই পদ্ধতিতে এসএমএস এর মাধ্যমে মেসেজ পাঠানো হয় ।

২) এমএমএস(MMS) মার্কেটিংঃ এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন ব্রাণ্ডের কোম্পানীগুলো তাদের প্রডাক্টের ইমেজ অথবা মিউজিক পাঠিয়ে থাকে।

৩) ব্লুটুথ মার্কেটিংঃ  এই পদ্ধতিতে তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন প্রমোশনাল কনটেন্ট পাঠানো হয়ে   থাকে এবং এতে কোন খরচের প্রয়োজন হয় না।

৪) ইনফ্রারেড মার্কেটিংঃ এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র ১ মিটার দূরুত্বের মধ্য থেকে ইনফ্রারেডের মাধ্যমে  প্রমোশনাল কনটেন্ট প্রেরণ করা হয়।

আর এগুলোর মধ্যে  “SMS FOR MOBILE” মার্কেটিং পদ্ধতিটি খুবই গুরুতুপূর্ণ। আমরা নিচের জরিপটি লক্ষ্য করি।

  • পৃথিবীতে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪.১ বিলিয়ন।
  • ৮৬% আমেরিকানই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে।
  •  ৩ মিনিটে মোট ফোন ব্যবহারকারীর ৯৭% টেক্সট মেসেজ ওপেন হয়ে থাকে।
  • প্রতি সেকেন্ডে ৫২০৮৩ টি টেক্সট মেসেজ আদান প্রদান হয়ে থাকে।
  • ২৫% আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং মার্কেটং এক্সজিকিউটিভ তাদের প্রতিষ্ঠানের বিদ্ধশী সমস্যাগুলো মোবাইলের মাধ্যমে সমাধান করে থাকে।
  • ৭০% মোবাইল ব্যবহারকারীরা তাদের কেনাকাটার জন্য মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে।(Source: Nielsen)

এ থেকে দেখা যায় “SMS FOR MOBILE” মার্কেটিং পদ্ধতিটি খুবই ইফেক্টিভ হবে।

এখন আসা যাক আসল কথায় …

কীভাবে কাজটি করতে হবেঃ

১) বিশেষ ধরনের ব্যবসার জন্য বিশেষ কীওয়ার্ড নির্বাচনঃ

                  কীওয়ার্ড বলতে আমরা সাধারণত কোন শব্দ বুঝলেও মোবাইল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে শব্দ ছাড়াও বাক্যাংশ( phrase) এমনকি কোন সংখ্যাও হতে পারে। আমরা অনেক সময় মোবাইলে মেসেজ পাইযে TONE  লিখে ১৬২২২ নম্বরে ডায়াল করলে আপনি ১০ টি ফ্রি রিংটোন পাবেন; যদি আমরা উক্ত নম্বরে ডায়াল করি তবে আমাদের ব্যালেন্স থেকে কিছু টাকা কেটে নিয়ে আমাদের ঐ ১০ টি রিংটোন দেয়। এক্ষেত্রে TONE হছে কীওয়ার্ড আর ঐ ফোন কোম্পানী আমাদের কাছে মোবাইল মার্কেটিং করল।

                 কীওয়ার্ড নির্বাচন এমনভাবে করতে হবে যাতে কাষ্টমার সহজে মনে রাখতে পারে অর্থাৎ এটি সহজ ও ছোট হতে হবে। এছাড়া কীওয়ার্ড শব্দ হলে তা যেন ব্যবসায়ীক প্রোডাক্টের নামের সাথে সামঞ্জস্য থাকে। যেমন, আপনি যদি ক্রিকেট খেলার উপকরণ মোবাইলের মাধ্যমে মার্কেটিং করতে চান তবে আপনার কীওয়ার্ড হতে পারে bat, ball, pad ইত্যাদি। আবার কোন এনার্জি ড্রিংক কোম্পানী হলে কীওয়ার্ড হতে পারে POWER, STAMINA ইত্যাদি।

keyword image

২) কোন ধরনের টেক্সট ম্যসেজ মার্কেটিং সেবা  সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে সাইন আপ করতে হবে তা ঠিক করাঃ

                যাদের কোন মোবাইল ফোন কোম্পানী নেই তারা যদি মোবাইল মার্কেটিং করতে চায়, তবে তাদেরকে কোন টেলিকমিনিকেশন কোম্পানীর কাছে যেতে হবে অথবা যেসব সফটওয়্যার কোম্পানী মোবাইল মেসেজ সেবা দেয় তাদের কাছে যেতে হবে এবং সেখানে সাইন আপ করতে হবে।  এখন প্রশ্ন জাগতে পারে কেন আমি কোন ফোন কোম্পানীর কাছে যাব? উত্তরটা হচ্ছে , যদি আমি ব্যক্তিগতভাবে ১০০০০ জনের কাছে মেসেজের মাধ্যমে কীওয়ার্ড পাঠাই, তাদের সবাই যে আমার পাঠানো কীওয়ার্ডে সাবস্ক্রাইব করবে অর্থাৎ তারা পাঠানো কীওয়ার্ডে SMS  করবে তা কিন্তু  নয়; যদিও আমার মেসেজ পাঠাতে কিছু টাকা ব্যয় হল। আর যদি কোন সফটওয়্যার কোম্পানীর মাধ্যমে মেসেজগুলো পাঠানো যেত তবে এক ক্লিকেই ঐ সবগুলোই তাদের কাছে চলে যেত। দীর্ঘমেয়াদীর চিন্তা করলে কোম্পানীর মাধ্যমে পাঠানোই অধিক লাভ। আবার কোম্পানী নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিবেচনা করতে হবে যে, তাদের যেকোন কীওয়ার্ড এভল্যাবল না কী, তাদের সার্ভার কী শক্তিশালী না দূর্বল ইত্যাদি।

  ৩) ব্যবসার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণঃ

    পরিকল্পনা গ্রহনের ক্ষেত্রে অবশ্যই দুইটি বিষয় ভাবতে হবে—

প্রথমটি হচ্ছে, আমার কোন ধরনের করগুলো কীওয়ার্ড দরকার? কারন এক এক ধরনের কাষ্টমারদের জন্য এক এক ধরনের কীওয়্যাড ব্যবহার করার দরকার হয়। যেমন আপনার যদি ski shop ও bike shop দুটোরই ব্যবসা থাকে , তবে দুই ধরনের কাষ্টমারের দুই ধরনের কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।

  দ্বিতীয়টি হচ্ছে, ক্রেতাদেরকে প্রত্যেক মাসে কতগুলো মেসেজ  কখন পাঠাতে  হবে? ১ মেসেজ , ১ কীওয়ার্ড, ১ কাষ্টমার হিসেবে ধরে মাসের কখন, কারকাছে, কতগুলো মেসেজ পাঠাতে হবে তারও হিসাব রাখতে হবে। সাধারণত প্রতি সপ্তাহে একজন কাষ্টমারের কাছে একবার মেসেজ পাঠালে সে বিরক্তিবোধ করে না।

    ৪) পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আরও কিছু কীওয়ার্ড সংরক্ষণ করাঃ

  আপনি ভার্চুয়াল জগৎ এর , ডিজিটাল যুগের মানুষ । আপনার ফেসবুক, টুইটারে অনেক ফলোয়ার  থাকতে পারে । তাদেরকে আপনি মেসেজ অথবা টুইট করতে পারেন আপনার keyword গুলো । হয়তো তারাও SMS এর মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্টের সাবস্ক্রাইবার হতে পারে।

 ৫) অটো রেস্পন্স বা অটো রিপ্লাই পদ্ধতিটি চালু রাখাঃ

   আপনি আপনার কোম্পানীর সমন্বয়কারীরা যাদের মেসেজ পাঠিয়েছেন  তারা অনেকেই আপনার প্রোডাক্টের সাবস্ক্রাইবার হবে । তাদের জন্য আপনাকে যা করতে হবে-

  – একটা লিষ্ট তৈরী করতে হবে কারা কীসের জন্য সাবস্ক্রাইব করেছে

-  ধন্যবাদজ্ঞাপন SMS অটো রিপ্লাই এর ব্যবস্থা করা।

 - তাদের সম্পর্কে এটা জানা যে তারা কতদিন পরপর SMS গ্রহণে আগ্রহী।

৬) বিভিন্ন  সোশাল মিডিয়া সাইটের মাধ্যমে লিস্ট বৃদ্ধি করাঃ

  সোশাল মিডিয়া সাইটগুলো যেমন- Facebook, twitter, LinkedIn, Printerest  ইত্যাদি সাইটে অ্যাড হয়ে friends or follower দের মেসেজ পাঠিয়ে সাইটের লিস্ট বৃদ্ধি করা।

৭) লিস্ট বৃদ্ধির ফলে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে তাদেরকে মেসেজ পাঠানো শুরু করাঃ

  যারা আপনার প্রডাক্টের নিয়মিত সাবস্ক্রাইবার  হয়েছে তাদেরকে আপনি আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কিত বিবরণের মেসেজ পাঠাতে পারেন। মেসেজ পাঠানোর সময় যেসব বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে সেগুলো হলো-

       i) মেসেজ হবে সংক্ষিপ্ত,  to-the – point    এ এবং ১৬০ ওয়ার্ডের বেশী নয়।

      ii)   ভাষা হবে সহজ , সরল যাতে সে বুঝতে পারে।

     iii) মেসেজ হবে ফ্রেণ্ডলি যাতে সাবস্ক্রাইবার এমন মনে না করে যে আপনি আপনার কোম্পানীর প্রোডাক্ট কেনার জন্য তাকে প্ররোচিত করছেন।

SMS marketing

বাংলাদেশে এসএমএস মার্কেটিং ক্ষেত্রঃ

- চাকরির বিজ্ঞপ্তি। (Job Notification)

- অফিস অ্যাড্রেস। (Office Address, Service Details)

- নির্দিষ্ট কোন তথ্য। (Training/Cultural Program)

- নোটিশ / আপ্যায়ন। (Official / Occasional for target people)

- বকেয়া নোটিশ ( Reminder for Due Payment / Due Inquiry)

- অনুষ্ঠান (From on different programs of various media like Newspaper/Radio/TV)

এসএমএস মার্কেটিং এর সুবিধাগুলো হচ্ছেঃ

♥ লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে মেসেজ পড়ে থাকে বলে ফল দ্রত পাওয়া যায়।

♥লোকজন অবশ্যই মেসেজ পড়ে থাকে বলে ধরা যায় যে পাঠানো মেসেজটি পড়া হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

♥এসএমএস মার্কেটিং হচ্ছে সাশ্রয়ী পদ্ধতি।

♥এই মার্কেটিং পদ্ধতিটি খুবই ফ্লেক্সিবল এবং এটি টাকা তৈরীর টুল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

 তো আর দেরী কেন , আপনি আপনার কোম্পানীর জন্য এখনই শুরু করুন মোবাইল SMS মার্কেটং আর উপার্জন করুন টাকা।