পেট খারাপের ওষুধ খান সাবধানে

mahbub alam

নিজের বিষয়ে এফিটাপ লেখার অভ্যাস নাই বিধায় কিছুই লিখলাম না।



Facebook Profile: http://www.facebook.com/emybazaar
টিউন করেছেন mahbub alam | August 25, 2014 04:55 | পোস্টটি 1,930 বার দেখা হয়েছে

পেট খারাপের ওষুধ খান সাবধানে


পেট খারাপ হওয়া একটি স্বাভাবিক অসুখ। সুস্থ মানুষেরও বছরে কয়েকবার পেটের অসুখ হতে পারে। কয়েকটি কারণে পেটের অসুখ হয়। সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে দূষিত পানি। এটি মূলত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া থেকে সংক্রমিত হয়ে থাকে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খেলে এসব রোগ আরও বাড়ে। কেননা কিছু অ্যান্টিবায়োটিক থেকে পেট খারাপ হয়।
b 3

বাংলাদেশে এখনো পেটের রোগের ওষুধ বিপুল পরিমাণে বিক্রি হয়। ২০০৭ সালে বিক্রি হয়েছে ৬৭৩•৪ কোটি টাকার, ২০০৬ ও ২০০৫ সালে পেটের অসুখের ওষুধ বিক্রি হয়েছিল যথাক্রমে ৬৮৬•৫ কোটি ও ৫১৫•৪ কোটি টাকার। এ দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় অ্যান্টিবায়োটিক।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ বিক্রি হয় পেটের অসুখের ওষুধ। যেহেতু অ্যান্টিবায়োটিকের দাম তুলনামূলক অনেক বেশি, সে কারণে টাকার পরিমাণ বেশি দেখা যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞদের অভিমত, বাংলাদেশের গ্যাস্ট্রিক-আলসার নামের যে রোগ নানাভাবে চিহ্নিত হয়, তার প্রায় ৮০ শতাংশ ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (আইবিএস)।

আইবিএস অনেক সময় কোনো কারণ ছাড়াই পেট খারাপ হওয়া, কোষ্ঠবদ্ধতা প্রভৃতি উপসর্গ বয়ে আনে; আবার হঠাৎ ভালোও হয়ে যায়। এসব ক্ষেত্রে অনেকেই কারণে-অকারণে অ্যান্টাসিড, রেনিটিডিন, ওমিপ্রাজল, ইসোমিপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল প্রভৃতি খেয়ে থাকে।মনে রাখবেন, রোগ নির্ণয় না করে ওষুধ খাওয়া খুবই ক্ষতিকর।
b 2

ভাইরাসের কারণে পেট খারাপ হলে মোটামুটি এক-দুই দিনের মধ্যে অবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার কথা। ভালো না হলে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা চলতে পারে। সমস্যা হচ্ছে, চিকিৎসার পর ভালো হয়ে গেলে শিক্ষিত রোগীরা এ ক্ষেত্রে মোটামুটি বিশেষজ্ঞ হয়ে যায়! পরে এ রকম কোনো উপসর্গ অন্য কোনো কারণে হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অনেকে আগের বার দেওয়া চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া শুরু করে। দেখা গেছে, এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো জটিল রোগের সৃষ্টি হয়।

ঠান্ডায় জমানো খাবার সরাসরি খেলে টাইফয়েড বা অন্য কোনো সংক্রমণের কারণে পেটের গণ্ডগোল হতে পারে। আইসক্রিম, পুডিং প্রভৃতি থেকে পেটের অসুখ হতে পারে। তাই এসব ক্ষেত্রে বুঝেশুনে চিকিৎসা করাতে হবে। এক বেলার ভাত আরেক বেলা খায় অনেকেই। তরকারি গরম করে ঠিকই কিন্তু ভাত গরম করা ঝামেলা বলে এড়িয়ে যায়। বাসি ভাতে প্রচুর পরিমাণে টক্সিন তৈরি হয়। এই ভাত খেয়ে পেটের অসুখ হলে অনেকেই অ্যান্টাসিড, রেনিটিডিনজাতীয় ওষুধ খেয়ে অনেক ক্ষেত্রে বিপত্তি ডেকে আনে।

  • Selim Reza

    good