অষ্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগ একটি নিরব ঘাতক

টিউন করেছেন adhora | May 3, 2014 23:15 | পোস্টটি 1,759 বার দেখা হয়েছে

অষ্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগ  একটি নিরব ঘাতক


অষ্টিওপোরোসিস বা অস্থি ক্ষয় বা হাড়ের ক্ষয় রোগ এমন এক্তি অসুখ যার ফলে হারের ঘনত্ত নির্দিষ্ট মাত্রায় কমে যাওয়ায় হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায় । ২০ থেকে ৩৫ বছর হাড় তার পূর্ণতা লাভ করে, তারপর ৪০ বছরের পর থেকে হাড় তার ক্যালসিয়াম ও ফসফেট হারাতে থাকে, এর ফলে হাড়ের পরিবর্তন হয়, দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। ৫০ বছর বয়সে ১৫ ভাগ এবং ৭০-৮০ বছর বয়সে ৩০ ভাগ মহিলার হিপ বোন বা নিতম্বের হাড় ভেঙ্গে যায় ।

অষ্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগ কি ?

aaa

হাড়ের ভেতরের ঘনত্ব বাড়া – কমা একটি চলমান প্রক্রিয়া। ১৬ – ১৮ বছর বয়সের দিকে হাড়ের দৈঘ্য বৃদ্ধি হওয়া বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু ২০ বছর বয়স পর্যন্ত হাড়ের ভিতরের ঘনত্ত ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে । ৩৫ বছর বয়স পর্যন্ত হাড়ের গঠন ও ক্ষয় একসঙ্গে একই গতিতে চলতে থাকে। ৪০ বছর বয়সের পর থেকে প্রাকৃতিক নিয়মে বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড় ক্ষয়ের মাত্রা একটু একটু কওরে বাড়তে থাকে। তাই নির্দিষ্ট বয়সে হাড়ের ক্ষয় একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া । হাড়ের এই ক্ষয় বাড়তে বাড়তে হাড় যখন নরম ও ভঙ্গুর হয়ে যায় সেই অবস্থাকে অষ্টিওপোরোসিস বলা হয় ।

অষ্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগের প্রাদুর্ভাব ?

এই রোগে মহিলা ও পুরুষ উভয়ই আক্রান্ত হয়, তবে মহিলাদের বিশেষ করে মেনোপজ বা ঋতুস্রাব বন্ধের পর শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের কমে যায় যার ফলে হাড়ের ক্ষয়ের মাত্রা বেড়ে যায় এবং পুরুষের টেস্টোস্টেরেন হরমোন ৭০ বছর বয়সে কমতে শুরু করে তখন হাড়ের ক্ষয় শুরু হয় ।

তবে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে সারাবিশ্বে ৫০ বছরের অধিক বয়সের প্রতি ৩ জন মহিলার মধ্যে ১ জন এবং প্রতি ৫ জন পুরুষের ১ জন অষ্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগ হয় ।

যারা অষ্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগে আক্রান্ত হন তাদের মধ্যে ৮০ ভাগই মহিলা এবং ২০ ভাগ পুরুষ ।

কাদের অষ্টিওপোরোসিসের ঝুকি বেশী ?

বর্তমানে অষ্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগ সারা বিশ্বব্যাপী বয়স্ক জনগোস্টীকে হুমকির সম্মুখীন করে দিয়েছে।

অষ্টিওপোরোসিসের ঝুঁকিপূর্ণরা হলেনঃ

১। মেনোপজ বা ঋতু স্রাব বন্ধ পরবর্তী মহিলারা
২। এশীয় বা ককেশীয়ানরা
৩। যাদের পরিবারের কারো অষ্টিওপোরোসিস আছে
৪। যারা পর্যাপ্ত পরিমান ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহন করেন না
৫। যারা ব্যায়াম করেন না
৬। যাদের ওজন কম
৭। ধূমপায়ীরা ও এলকোহল পানকারীরা
৮। কিছু অসুখ অষ্টিওপোরোসিসের ঝুকি বাড়িয়ে দেয় । যেমন –
- রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস
- যাদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কম
- যাদের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কম
- যাদের শরীরে থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেশী
- যাদের শরীরে প্যারাথাইরয়েড হরমোনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেশী
- যেসব রোগে খাবারের শোষণ ব্যাহত হয়। যেমন – celiac disease অথবা crohon’s disease
- যে সব রোগে অনেকদিন শুয়ে থাকতে হয় । যেমন – ব্রেন স্ট্রোক
- এইচ আই ভি
- স্তন ক্যান্সার

৯। কিছু ঔষধ ও অষ্টিওপোরোসিসের ঝুকি বাড়িয়ে দেয় । যেমন –
- তিন মাসের অধিক সময় ধরে কটিকস্টেরয়েড ট্যাবলেট খেলে
- খিচুনী – রোধী ঔষধ খেলে
- স্তন ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ
- প্রস্টেড ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ, ইত্যাদি।

অস্টিওপোরোসিস নির্ণয়ের পরীক্ষাঃ

aaa3

অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় ও দুর্বল রোগ সহজেই নির্ণয় করা যায়

১। ক্লিনিক্যাল উপসর্গ এবং স্বাভাবিক পর্যবেক্ষণ এর মাধ্যমে –

ডাক্তার আপনার শারীরিক বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল উপসর্গ পর্যবেক্ষণ এবং পূর্ববর্তী রোগ ও ঔষধ গ্রহনের ইতিহাস এবং বিভিন্ন ঝুকি পর্যবেক্ষণ করে
আপনার অস্টিওপোরোসিস আছে কিনা নির্ণয় করতে পারেন।

২। হাড়ের এক্স-রেঃ

ডাক্তার আপনার শরীরের হাড়ের এক্স-রে করে তাদের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে  তারা আপনার হাড়ের ঘনত্ব বুঝতে পারেন ।

৩। বি এম ডি(বোন মিনারেল ডেনসিটি) বা হাড়ের ঘনত্ব নির্ণয় পরীক্ষা –

আপনার অস্টিওপোরোসিস হয়েছে কিনা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে জানতে বি এম ডি (বোনমিনারেল ডেনসিটি) বা হাড়ের ঘনত্ব নিরনয় পরীক্ষা করা  হয়। এটি সাধারণ এক্সরে স্ক্যানিং এর মত একটি স্ক্যান বা পরীক্ষা যা সম্পূর্ণ ব্যাথামুক্ত, সহজ এবং যেটা খুব সামান্য রেডিয়েশন ব্যবহার করে করা যায় ।

অষ্টিওপোরোসিস এর পরিণতি কি?

অষ্টিওপোরোসিস একটি নীরব ক্ষয় রোগ। প্রাথমিক অবস্থায় অষ্টিওপোরোসিস এর তেমন কোন উপসর্গ দেখা দেয় না । অষ্টিওপোরোসিস তখনই যন্ত্রণাদায়ক হয় যখন হাড়ে ফাটল ধরে বা হাড় ভেঙ্গে যায় ।

অষ্টিওপোরোসিসে হাড়ের ঘনত্ব কমে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়, ফলে দেখা যায় যে খুবই সামান্য পরিমাণ আঘাত লাগলে বা দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে গিয়েই শরীরের বিভিন্ন জায়গার হাড় ভেঙ্গে যেতে পারে।

সাধারণত প্রথমবার হাড় ভাঙ্গার আগে কোন উপসর্গই দেখা যায় না । অষ্টিওপোরোসিসের কারনে শরীরের যেকোনো জায়গার হাড় ভেঙ্গে যেতে পারে তার মধ্যে মেরুদণ্ডের হাড়, নিতম্ব বা হিপ জইন্ট, কবজি বা রিস্ট জয়েন্ট এর হাড় ভাঙ্গার পরিমাণ বেশি লক্ষ্য করা যায় ।

কিভাবে অষ্টিওপোরোসিস বা হাড় ভাঙ্গা প্রতিরোধ করবেনঃ

শৈশব, কৈশোর অথবা যৌবনকালে অর্থাৎ বাড়ন্ত বয়সে হাড়ের বৃদ্ধি সাধন হয় সেই সময়টাই হাড়কে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার আসল সময়। এ সময় হাড়ের ঘনত্ব পর্যাপ্ত পরিমাণে গঠন কওরে নিতে পারলে তা বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড়ের ক্ষয় এবং ভাঙ্গার ঝুকির বিরুদ্ধে টিকে থাকতে সক্ষম হয়।
বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড় তার ক্যালসিয়াম ও ফসফেট হারিয়ে দুর্বল হতে থাকে এবং ঝুকিও বাড়তে থাকে। তাই শক্তিশালী রাখতে আমরা কিছু পদক্ষেপ নিতে পারি –

১। সুষম খাদ্যাভ্যাস অনুসরন করা

ক্যালসিয়ামঃ
আপনার খাদ্যতালিকায় যেন প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে ।

আমাদের শরীরে প্রতিদিন ক্যালসিয়ামের চাহিদা নিম্নরূপ –
- ১ থেকে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিদিন ৮০০ মিলিগ্রাম
- ১১ থেকে ২৪ বছর বয়স পর্যন্ত মহিলাদের জন্য প্রতিদিন ১২০০ মিলিগ্রাম
- ২৪ বছরের বেশী বয়স্ক পুরুষের প্রতিদিন ১০০০ মিলিগ্রাম
- গর্ভবতী ও স্তন্যদানরত মায়ের জন্য প্রতিদিন ১৫০০ মিলিগ্রাম
- মেনপজ পরবর্তী মহিলাদের জন্য প্রতিদিন ১৫০০ মিলিগ্রাম
- যাদের অষ্টিওপোরোসিসের ঝুকি আছে এমন পুরুষ ও মহিলাদের জন্য  প্রতিদিন ১৫০০ মিলিগ্রাম।

কি কি খাবারে ক্যালসিয়ামের পরিমান বেশি থাকে?

ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারঃ
সবচেয়ে বেশী ক্যালসিয়াম থাকে দুগ্ধজাত খাদ্যে যেমন –
- ১ গ্লাস ননী তোলা দুধে থাকে ৩০২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৮৫ ক্যালরি  শক্তি
- কম স্নেহজাতীয় দই এ থাকে ৪১৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ১৪৫ ক্যালরি শক্তি
- সয়া প্রোটিন – টফু (প্রতি ৪ আউন্সে ৫০০ মিলিগ্রাম)
- সবুজ ফুলকপি বা ব্রকলি প্রতি ৪ আউন্সে ৪৫ মিলিগ্রাম
- কলার্ড প্রতি কাপে ১৫০ মিলিগ্রাম
- শালগম প্রতি কাপে ২০০ মিলিগ্রাম
- সার্ডিন মাছ বা সামুদ্রিক মাছ প্রতি ৩ আউন্সে ৩৭৫ মিলিগ্রাম

ভিটামিন – ডি
আপনার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ডি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, তবে তা যেন অতিরিক্ত না হয়। ভিটামিন ডি দেহে ক্যালসিয়ামের শোষণ বাড়িয়ে হাড়ের গঠনে সহায়ক ভুমিকা রাখে। প্রতিদিন ভিটামিন ডি গ্রহনের স্বাভাবিক মাত্রা হচ্ছে ৪০০ আন্তর্জাতিক একক (ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট)

ভিটামিন- ডি সমৃদ্ধ খাবারঃ
এই ভিটামিন পাওয়া যায় ডিমে, মার্জারিনে, কড লিভার তেলে, সামুদ্রিক মাছে ও গরুর কলিজায়। তাছাড়াও সূর্যের আলো ভিটামিন ডি এর অন্যতম উৎস, তাই মাঝে মধ্যে সূর্যলোকে যাবেন। আপনার শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি তৈরির জন্য প্রতিদিন মাত্র ১৫-২০ মিনিট সূর্যলোকে থাকলেই যতেস্ট।

অন্যান্য খাবারঃ
আপনার খাদ্যতালিকায় প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের সরবরাহ নিশ্চিত করুন, এতে আপনার পেশী সুগঠিত হয়ে আপনার নড়াচড়া নিয়ন্ত্রিত হবে। এছাড়াও প্রচুর পরিমানে ফল খান যাতে ভিটামিন – বি, ভিটামিন – সি, ভিটামিন – কে, খনিজ পদার্থ যেমন- ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রন থাকে যা হাড়ের গঠনে সহায়তা করে ।

২। নিয়মিত শরীর চর্চা ও ব্যায়াম করুনঃ

যারা নিয়মিত হাটেন, ব্যায়াম করেন ও কায়িক পরিশ্রমে অভ্যস্ত তাদের হাড়ের
ক্ষয় ও হাড় ভাঙ্গার ঝুকি কম হয়ে থাকে ।

নিয়মিত শরীর চর্চা ও ব্যায়াম করলে কি কি উপকার হয়?

নিয়মিত শরীর চর্চা ও ব্যায়াম করলে –
- মাংসপেশী ও হাড়ের শক্তি ও দৃঢ়তা বৃদ্ধি পায় ।
- হাড় ও হৃৎপিন্ডকে শক্তিশালী করে।
- জয়েন্ট গুলো কে সচল রাখে ও রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় ।
- বৃদ্ধ বয়সে হাড়ভাঙ্গার একটা প্রধান কারন অস্টিওপোরসিস বা হাড় ক্ষয় হয়ে যাওয়া বিশেষ করে মহিলাদের হিপ ফ্রাকচারের ক্ষেত্রে ।
- ব্যায়াম অস্টিওপোরসিস কমায় ।
- ব্যায়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করা সহজ হয় ফলে পড়ে যেয়ে হাড় ভাঙ্গার ঝুকি  কমে
- ব্যাথা কমে
- আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বৃদ্ধি পায় ।

৩। ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুনঃ

ধূমপানের দেহের হাড় গঠনকারী কোষ অস্টিওব্লাস্ট এর কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় যার ফলে হাড়ের ক্ষয়ের ঝুকি অনেক বেড়ে যায় ।
অতিরিক্ত মদ্যপানের কারনে পড়ে গিয়ে হাড় ভাঙ্গার ঝুকি অনেকাংশে বেড়ে জয়ায়, তাই অতিরিক্ত মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন ।

৪। পতন রোধ করুনঃ

সঠিকভাবে ভারসাম্য রক্ষা এবং সমন্বয় সাধন করতে না পারায় বয়স্কদের প্রায়ই পড়ে যাওয়ার প্রবনতা দেখা যায় । যার ফলে নিতম্বের হাড় ভেঙ্গে যায় এবং পরবর্তীতে তাদের জীবনধারার উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে । তাই হাড় ভেঙ্গে যাওয়া প্রতিরোধ করতে পড়ে যাওয়া বা পতন রোধ করা খুব জরুরী । এজন্য সিঁড়ির পাশে দেয়ালে হ্যান্ড রেইলের ব্যাবস্থা রাখুন, বাথরুমে সম্ভাব্য পতনের ঝুকি রোধে ধরার রড বা স্তম্ভ রাখুন। যেসব ঘরের মেঝে পিচ্ছিল সেগুলো কার্পেট দিয়ে ঢেকে দিন। অন্ধকারে উজ্জ্বল আলোর ব্যাবস্থা রাখুন এবং রাতের বেলায় মৃদু আলোর বাল্ব জ্বালিয়ে রাখুন ।

অস্টিওপোরোসিস এর চিকিৎসা কি?

অস্টিওপোরোসিস এর চিকিৎসার মূল উদ্দেশ্য হল আপনার হাড়কে শক্তিশালী করে তোলা, হাড়ের ক্ষয়ের হার কমানো ও সর্বাপুরী হাড় ভাঙ্গার ঝুকি কমানো।
অস্টিওপোরোসিস এর চিকিৎসায় যে সব ঔষধ ব্যাবহার হয়, তার মধ্য উল্লেখযোগ্য –
- এল্যেন্ড্রনেট সোডিয়াম
- রিসড্রনেট সোডিয়াম
- ইবান্ড্রনিক এসিড
- সিলেক্টিভ ইস্ট্রজেন রিসেপ্টর মডুলেটর
- প্যারাথাইরয়েড হরমোন চিকিৎসা
- ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট
- হরমোন রিপ্লাসেমেন্ট থেরাপি ইত্যাদি

তবে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন অস্টিওপোরোসিস মুক্ত থাকুন ।

ডা: এম ইয়াছিন আলী
চেয়ারম্যান ও চীফ কনসালটেন্ট
ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল
ধানমন্ডি, ঢাকা ।