গ্রাফ্রিক ডিজাইনিং ই হতে পারে আয়ের অন্যতম উৎস

টিউন করেছেন sourav | May 5, 2014 09:46 | পোস্টটি 3,147 বার দেখা হয়েছে

গ্রাফ্রিক ডিজাইনিং ই হতে পারে আয়ের অন্যতম উৎস


ইদানিং ইন্টারনেট, পত্র-পত্রিকা যেখানেই তাকাই, সেখানেই এখন ইন্টারনেট থেকে আয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা চলছে। এর কারণ মোটামুটি দুইটি। প্রথমত, সবাই এখন এ কথাটি বিশ্বাস করে যে, ইন্টারনেট থেকে আসলেই আয় করা যায়। আর দ্বিত্বীয়ত, দিন দিন দ্রব্যমূল্যের ঊর্দ্ধো গতির কারণে সবাই কিছু বাড়তি আয় করতে চায়। আর করাটাই স্বাভাবিক। তবে, ইন্টারনেট থেকে আয় করতে গিয়ে সকলকেই বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। কেউ কেউ আয়ের সঠিক পথটি খুঁজে পাচ্ছেনা; কেউ সঠিক পথ মনে করে তাতে প্রতারিত হচ্ছে; আবার কেউ অন্যদের এ অবস্থা দেখে এগুতে সাহস পাচ্ছে না; কেউ সারা মাস কষ্ট করে অল্প কিছু ডলার আয় করে হতাশ হয়ে পড়ছে; কেউ আয় করে দেশে টাকা আনতে পারছেনা; আবার কেউ অনেক আয় করেও অন্যদের সঠিক পথটি জানাচ্ছে না। তাই বলে হতাশ হলে চলবে না। বর্তমানে ইন্টারনেট থেকে আয় বা ফ্রিল্যান্সিং করে আয় সবচেয়ে নির্ভরশীল এবং শক্তিশালী পথ পথ বলে সবাই একমত হয়েছেন।

graphics design

অনেকেই শুধু মাউসে ক্লিক করে আয় করাকেই ফ্রিল্যান্সিং মনে করে প্রতারিত হচ্ছেন। বাস্তবে ফ্রিল্যান্সিং হলো গতানুগতিক চাকুরীর বাইরে নিজের ইচ্ছামত কাজ করার স্বাধীনতা। ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন যে কেউ খুব সহজেই একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে । এখানে একদিকে যেরকম রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে কাজের ধরন বাছাই করার স্বাধীনতা। আয়ের দিক থেকেও অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং এ রয়েছে অভাবনীয় সম্ভাবনা। এখানে প্রতি মূহুর্তে নতুন নতুন কাজ আসছে। প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েবসাইট, গেম, থ্রি-ডি এনিমেশন, প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, সফ্টওয়্যার বাগ টেস্টিং, ডাটা এন্ট্রি – এর যেকোন এক বা একাধিক ক্ষেত্রে সফলভাবে নিজেকে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তৈরি করে নেওয়া যায়। ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং কাজে ফ্রিল্যান্সারের স্বাধীনতা থাকে৷ ফ্রিল্যান্সারের ইচ্ছে মতো কাজ বেছে নেয়ার সুযোগ থাকে৷ একজনফ্রিল্যান্সার নিজের সুবিধামতো সময় বিবেচনা করেও কাজ বেছে নিতে পারে৷ আর এই কাজের জন্য সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে, যেকোনো পেশার লোক বা চাকরিজীবী সংশ্লিষ্ট কাজ শিখেই আউটসোর্সভিত্তিক ফ্রিল্যান্সিং করতে পারে৷এখানে যোগ্যতার মাপকাঠী হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিংয়ের যে শাখায় কাজ করতে আগ্রহী, সেই বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা৷ অন্যকোনো যোগ্যতার প্রয়োজন নেই৷ বর্তমানে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের কাজ খুবই উপযোগী৷

 

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্যে কিছু কোর্স আছে যেটা সম্পন্ন করে নিশ্চিন্তে চাকরি ও ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরেই বসে আয় করা যায়। এদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কম্পিউটার গ্রাফিক ডিজাইনিং। কেননা এখন কম্পিউটারের যুগ। প্রতিটা অফিস আদালত এমন কি গ্রাহক সেবার প্রতিটি ক্ষেত্রেই কম্পিউটার এবং ডিজাইনিং একটি জরুরি অনুসঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে কারণে মেধাবীসহ সাধরণ শিক্ষার্থীদের কাছে এসব কোর্সের গুরুত্ব বেড়েই চলেছে । গ্রাফিক ডিজাইন সময়ের অন্যতম একটি সন্মানজনক পেশা। আয়ের পাশাপাশি বেশি বেশি জানার, শেখার ও নিজের ক্রিয়েটিভিটি প্রকাশ করার পাশাপাশি বেশি বেশি জানা, শেখা ও আয়ের অন্যতম মাধ্যম গ্রাফিক ডিজাইন।

বর্তমান যুগে দিন দিন গ্রাফিক ডিজাইন অত্যান্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কম্পিউটার গ্রাফিক ডিজাইনিং বিষয়ে বাংলাদেশে রয়েছে চাকরির বিশাল বাজার। সরকারি-বেসরকারি দুটি ক্ষেত্রেই এই পেশার রয়েছে প্রচুর চাহিদা। দেশে বিদেশে বা দেশী বিদেশী সরকারী বেসরারী প্রতিষ্ঠান গুলোতে তাদের প্রচার কাজে গতি আনতে গ্রাফিক ডিজাইনার নিয়োগ দিচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত দেশী-বিদেশি ডিজাইনিং, শিল্প কারখানা, বিজ্ঞাপনি প্রতিষ্ঠান মিল, ব্যাংক, ফ্যাশন হাউস, রিয়েল এস্টেট, গার্মেন্টস শিল্প, টেক্সটাইল প্রভৃতি ইন্ডাস্ট্রিতে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। মূলত গ্রাফিক ডিজাইনিং ছোট-বড় সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের পণ্য উৎপাদন কার্যক্রমের অন্যতম প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত করা হয়। সবাই চায় নিজের পণ্যের বিজ্ঞাপনটি ডিজাইন করে আরো আকর্ষণীয় করে। শুধু দেশের জন্য নয় বিদেশে দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনার এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। গ্রাফিক ডিজাইন করে প্রতি বছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। শুধু তাই নয় বর্তমানে ইন্টারনেটে গ্রিটিংস কার্ড, পোস্টার, ব্যানার ও ওয়েব পেজ ডিজাইন করে ঘরে বসেই প্রচুর টাকা উপার্জন করা সম্ভব।

design

বর্তমানে ইমেজ এডিটিং কাজে গ্রফিক ডিজাইনারের এক ধরনের আকাল চলছে বলা যেতে পারে, বিভিন্ন দেশী বিদেশী কোম্পানী গুলো মাসের পর মাস বিডিজবস সহ বিভিন্ন জবপোর্টলে জব-সার্কুলার দিয়ে রাখলেও দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনার খুজে পাচ্ছেনা।কারন- গ্রাফিক আর্টস ইন্সটিটিউটিট, চারুকলা, ইউনিভার্সিটি অব ডেভোলাপমেন্ট অলটারনেটিব (ইউডা) এবং শান্তমারিয়াম এই কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে যে কয়জন গ্রফিক ডিজাইনার বা এই রিলেটেড মানব সম্পদ প্রতিবছর তৈরী হয় তা বর্তমান চাহিদার তুলনায় অনেক কম। বিশেষ করে এখন আউটসোসিং গ্রাফিক ডিজাইন বা ইমেজ এডিটিং এ বাংলাদেশ ইউরোপ আমেরিকারও মার্কেট দখল করে নিয়েছে। তাছাড়ার নিজে ঘরে বসে কাজ করার পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলারও সুযোগ থাকছে।

কিন্তু সবাই কি ডিজাইন করতে পারে ? ”এখানে গ্রাফিক ডিজাইন শিখানো হয়” এরকম সাইন বোর্ড ও ফেস্টুন প্রায়ই চোখে পড়ে। অথচ অবাক হওয়ার ব্যাপার যে, এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালক কিংবা প্রশিক্ষকদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কতটুকু ধারণা আছে বা নেই এ বিতর্কে আমি যাচ্ছি না! আমি শুধু বলব তারা কি গ্রাফিক ডিজাইন শেখাচ্ছেন নাকি ডি,টি, পি সফটওয়্যার শিখিয়ে তাকে গ্রাফিক ডিজাইন বলে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করছেন। ডি, টি, পি হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইনের একটা শাখা মাত্র। অনেক গ্রাফিক ডিজাইনার আছেন যারা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ফটোশপ আর ইলাস্ট্রেটর এর অপশন গুলো সম্পর্কে জানেন; যেমন: নীলক্ষেতে যারা গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করেন। তারা আমাদের চেয়ে খুব দ্রুত ডিজাইন করতে পারেন। কিন্তু তারা নিজের মেধা খুব কম খাটায়, তাদেরকে যেভাবে বলা হয় তারা সেভাবে কাজ করে। যার ফলে তারা খুব মানসম্মত ডিজাইন করতে পারে না। তাই বলা হয় তারা ডিজাইনের কাজ করে কিন্তু ডিজাইন করে না।

ডিজাইন সহজ কোনও বিষয় না, একটি ডিজাইন করতে যতক্ষণ সময় লাগে, তার থেকে সেই বিষয়টি সম্পর্কে ভাবতে অনেক অনেক বেশি সময় লাগে। ভালো মানের গ্রাফিক ডিজাইন করার আগে কিছু বিষয় সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হওয়া জরুরী। গ্রাফিক ডিজাইন ব্যাপারটিই হল ডিজাইন তৈরী করার আগেই এর সর্বশেষ ফলাফলটা নিজের চোখে দৃশ্যমান করা বা কন্সেপ্ট তৈরী করা। গ্রাফিক ঠিজাইনে কন্সেপ্টালাইজেশন ব্যাপারটিই হচ্ছে খুব গুরুত্বপূর্ন। যার কন্সেপ্ট যত ইউনিক বা সচ্ছ তার ডিজাইন ততই মূল্যবান। সুতরাং কোন কাজে কিভাবে কন্সেপ্ট তৈরী করা হয় বা কি ধরনের কন্সেপ্ট তৈরী করতে হবে এই বিষয়ে ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাফিক ডিজাইনে একটি কাজ কিভাবে শুরু করব বা কোন প্রোগ্রামে কাজটি করব এই ব্যাপারটিও গুরুত্বপূর্ন। ভাল করে রিসার্চের কোন বিকল্প নেই। হাল-জমানার ডিজাইনগুলোকে ফলো করতে হবে! বিখ্যাত ডিজাইনাররা কি ধরনের ডিজাইন করছে, সেগুলো বিশ্লেষন করা উচিত। আঁকা আঁকির অভ্যাস থাকা ভালো।ভালো ডিজাইন সংগ্রহেল অভ্যাগ গড়ে তোল দরকার। গ্রাফিক্স ডিজাইনের উপর প্রকাশিত বই বা ই-বুক পড়তে হবে। কারণ পড়ার কোনো বিকল্প নেই। এতে জানার পরিধিও বাড়ে। নিয়মিত বিভিন্ন ব্লগে ডিজাইন সম্পর্কিত পোস্ট পড়া, নিজের মতামত দেওয়া এবং নিজের লেখার চেষ্টা করা উচিত। এতে নিজের ডিজাইন সম্পর্কে অন্যান্যদের মতামত পাওয়া যায়। যারা গ্রাফিক ডিজাইন পেশার সাথে আছেন তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ঠ বিভিন্ন ফোরামে অংশগ্রহণ যেতে পারে। নিয়মিত বিভিন্ন ডিজাইন করতে হবে। এছাড়া নিয়মিত স্কেচ করার চেষ্টা করতে হবে। এতে ক্রিয়েটিভিটি আরো বাড়বে। তাহলেই একজন ভাল ডিজাইনার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করা যাবে।দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হলে অনেক ধরনের সফটওয়্যার সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। নির্দিষ্ট কোনো সফটওয়্যার নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করলে চলবে না। অ্যাডোবি ফটোশপ, অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর, অ্যাডোবি ইমেজ রেডি, কোয়ার্ক এক্সপ্রেস, পেজমেকারসহ গ্রাফিক্স সংশ্লিষ্ঠ সফটওয়্যারগুলোর উপর নিজের দক্ষতা বাড়াতে হবে। যত বেশি গ্রাফিক্স সফটওয়্যার জানা থাকবে কাজের পরিধিও তত বাড়বে। সঙ্গে সঙ্গে উপার্জনও বাড়বে অনেকগুণ। এ পেশায় আয় নির্ভর করে দক্ষতা ও ক্রিয়েটিভিটির ওপর। যদি কাজে স্বকীয়তার প্রকাশ না থাকে তাহলে টিকে থাকাটাই কষ্টকর। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও আইডিয়া লেভেল ভালো না হলে তিনি হয়তো কাজ করতে পারবেন, তবে চ্যালেঞ্জে টিকে থাকতে পারবেন না।

বলার অপেক্ষা রাখে না, নয়-এগারোর পর থেকে পুরো বিশ্বেই আইসিটি খাতের লোকেরা কর্মপরিধি সীমিত করে দিয়েছিল৷ তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে৷ পুরো বিশ্বের মতো এদেশেও কমপিউটার বিজ্ঞান বা কমপিউটার প্রকৌশলী অনুষদের ছাত্রসংখ্যা কমেছে৷ এই সময়ে আইসিটি খাতে কাজও কমে গিয়েছিল৷ এসব অনুষদের ছাত্রদের মধ্যে এক ধরনের হীনম্মন্যতা এখনো কাজ করে৷ আমাদের দেশের মতো দেশে যেখানে ভালো চাকরি বা কাজের পরিধি বেশ কম, সেখানে উন্নত বিশ্বে শুধু আইসিটি নয় যেকোনো অনুষদের ছাত্ররাই পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে নিজ নিজ বিষয় সংশ্লিষ্ট পার্টটাইম কাজ করে উপার্জন করতে পারে৷ অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, এ কাজ করে ছাত্ররা তাদের নিজ নিজ টিউশন ফি পরিশোধ করতে পারে৷ দুঃখজনক হলেও সত্যি, আমাদের দেশে এ ধরনের কাজ প্রায় নেই বললেই চলে৷ অথচ আমাদের পাশের দেশ ভারতেও আইসিটি সংশ্লিষ্ট অনুষদে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ পাওয়া যায়৷ পড়াশোনার পাশাপাশি এ ধরনের কাজে প্রধান সুবিধা হচ্ছে ছাত্ররা নিজেদের ভবিষ্যতযোগ্যতা সম্বন্ধে সচেতন থাকতে পারবে৷ প্রযুক্তিভিত্তিক যেকোনো বিষয়েই যা খুব জরুরি৷আমাদের দেশে ছাত্রদের জন্য ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং নতুন করে আশার সৃষ্টি করে৷ আইসিটির হাজার হাজার ছাত্রদের মধ্যে এমন হতাশা কাজ করে যে, আগের চেয়ে এই খাতে কাজ কমছে এবং এই কাজ কমার প্রবনতা কমাতে পারে অনলাইন ফ্রিল্যান্স৷ শুধু ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং করে নিজেই আইসিটিভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছে এমন নজির খুব কম নয়৷ আর আমাদের পাশের দেশসমূহে ফ্রিল্যান্স খুব জনপ্রিয়৷ শুধু ভালো ইন্টারনেটের অভাবে আমরা অনেকদিন ধরেই এই খাত থেকে পিছিয়ে ছিলাম৷ যদিও ভালো ইন্টারনেট সংযোগের পুরো সুবিধা আমরা এখনো পাচ্ছি না৷

বাংলাদেশে গ্রাফ্রিক ডিজাইনের সম্ভাবনা খুবই উজ্জ্বল৷ এটা পুরোপুরি মেধা ও সৃজনশীলতার ব্যাপার৷ আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েদের সৃজনশীলতাও অনেক ভালো৷ শুধু কাজে লাগাতে হবে৷ এজন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারে৷ ইদানীং অনেক বাংলাদেশীই ফ্রিল্যান্সিংয়ে আসছে৷ এক বছর আগেও এর হার বেশ কম ছিল৷ ধীরে ধীরে এটি জনপ্রিয় হচ্ছে৷ তবে এ কাজের জন্যবিদ্যুত্ ও ইন্টারনেট অপরিহার্য অংশ৷ তাই এ দুটো বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নেয়া উচিত৷

  • জুবায়ের

    অনেক ভাল লাগল, শেয়র দিলাম