ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার (পর্ব:১২ – ইনভেটো নিয়ে বিস্তারিত)

ekram

বর্তমানে অনলাইন মার্কেটার হিসেবে কাজ করছি, ওয়েবডিজাইন এবং গ্রাফিকসটাও নিজের নেশা। আইটি প্রতিষ্ঠান, ন্যাশনাল আইটি ইন্সটিটিউট (https://www.facebook.com/nationalinst) এর সিইও । জেনেসিসব্লগসের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডমিন ।
টিউন করেছেন ekram | December 21, 2015 00:16 | পোস্টটি 1,404 বার দেখা হয়েছে

ইনভাটো হচ্ছে ফ্রীলাঞ্চারদের জন্য সবচেয়ে প্রছন্দের মার্কেটপ্লেস। অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ইনভাটো নামক প্রতিষ্ঠানটি শুরু হয় ২০০৬ সালে। ইনভাটোর অনেকগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে। প্রত্যেকটি ওয়েবসাইট-এ রয়েছে মানসম্মত কনটেন্ট, স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও ইউজার ফ্রেন্ডলি আকর্ষনীয় ইন্টারফেস। গ্রাফিকরিভার হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য, থিমফরেস্ট হচ্ছে ওয়েব ডিজাইনারদের জন্য। গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা তাদের  ডিজাইন যেমন: লোগো, ভিজিটিং কার্ড থেকে শুরু করে সকল ধরনের ডিজাইন সম্পর্কিত পণ্য এখানে বিক্রি করতে পারে  এবং ওয়েব ডেভেলপার হলে এইচটিএমএল টেমপ্লেট, সি এস এস , ওয়ার্ডপ্রেস থিম সেল করা যায়। ক্রিয়েটিভ ডিজাইন করতে পারলে থিমফরেস্টে  এবং গ্রাফিকরিভারে প্রচুর ইনকাম সম্ভব। ভালমানের ডিজাইন না হলে খিমফরেস্ট কতৃপক্ষ ডিজাইন অ্যাপ্লুভ করবেনা। একটা ডিজাইন অ্যাপ্লুভ হলে সেটা সারাজীবন যতবার বিক্রি হবে, সেখানে থেকে ততবারই ইনকাম হবে। অর্থাৎ একটা ডিজাইন সারাজীবনের ইনকাম।

3

এর আগের পর্বগুলো যারা মিস করেছেন, তাদের জন্য আগের পর্বগুলোর লিংক দিচ্ছি।

১ম পর্ব: ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা

২য় পর্ব: ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলো

৩য় পর্ব:  ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে করনীয়

৪র্থ পর্ব:  চাকুরি নাকি ফ্রিল্যান্সিং

৫ম পর্ব: বিখ্যাত মার্কেটপ্লেসের পরিচিতি

৬ষ্ঠ পর্ব: মার্কেটপ্লেসের বাইরে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ পাওয়ার উপায়

৭ম পর্ব: পেমেন্ট উত্তোলনের ‍উপায়

৮ম পর্ব: আপওয়ার্ক নিয়ে বিস্তারিত

৯ম পর্ব: ফাইভার নিয়ে বিস্তারিত

১০ম পর্ব: পিপল পার আওয়ার নিয়ে বিস্তারিত

১১তম পর্ব: ৯৯ডিজাইন নিয়ে বিস্তারিত

 

ইনভাটোতে ৮টি ওয়েবসাইট রয়েছে। প্রত্যেকটিতে ভিন্ন ভিন্ন কাজ রয়েছে।

- থিমফরেস্ট.নেট

- গ্রাফিকরিভার.নেট

- কোডকেনিয়ন.নেট

- ভিডিও হাইভ.নেট

- অডিওজাঙ্গল.নেট

- ফটোডিউন.নেট

- থ্রিওসেন.নেট

- একটিভডিন.নেট

 

ইনভাটোতে অ্যাকাউন্ট ও প্রোফাইল তৈরি:

ইনভাটোতে অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে একটা ইমেইল এড্রেস লাগবে। ওয়েবঠিকানা: envato.com । অ্যাকাউন্ট করার সময় সাইনআপ ফর্মে সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হয়। অ্যাকাউন্ট নিশ্চিত করার জন্য ইমেইল ভেরিফিকেশান করা হয়। অ্যাকাউন্ট নিশ্চিত হয়ে গেলে এখন প্রোফাইল তৈরি করা।ইনভাটোতে একটি অ্যাকাউন্ট খুললে ইনভাটোর ৮টি ওয়েবসাইটে কাজ করা যায়।

কাজের ধরন : ইনভাটো মার্কেটে যারা থিম, ডিজাইন, কনটেন্ট বা বিভিন্ন প্রোগ্র্যামে তৈরী করা ফাইল বিক্রি করে তাদের অথোর (author) বলা হয়। অথোর হতে হলে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করে ছোট একটি কুইজে অংশ নিতে হয়। কুইজ প্রধানত ইনভাটো মার্কেটপ্লেস এর নিয়ম-কানুন ও কপিরাইট সংক্রান্ত। একজন অথোর হিসেবে যে কোন ডিজাইন বা ফাইল নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জমা দিতে হয়। জমা দেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে  ইনভাটো কর্তৃপক্ষ তা সাইটে বিক্রির যোগ্য কিনা তা যাচাই-বাছাই করবে, যদি উপযুক্ত না হয় তাহলে মেইলের মাধ্যমে কোথায় ও কি কি সমস্যা তা জানিয়ে দিক-নির্দেশনা দিবে এবং একদম উপযুক্ত না হলেও তা জানিয়ে দিবে। ফাইলটি কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করলে তা সাইটে আপলোড করবে এবং তার একটি নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারন করবে এবং পণ্যটি সেদিন থেকেই বিক্রি হওয়া শুরু হতে পারে। কোন কোন ডিজাইন এক সপ্তাহের মধ্যেই বিক্রি কয়েকশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

 

থিমফরেস্ট.নেট : থিমফরেস্ট হলো ইনভাটোর সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট। গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা এখানে তাঁদের ডিজাইন টেমপ্লেট বিক্রি করতে পারেন এবং ডেভেলপার হলে ডিজাইনের পাশাপাশি এইচটিএমএল এবং সিএসএস কোডিংও বিক্রি করা যায়। ডিজাইন ও ফাংশনালিটি যদি ক্রেতাদের একবার নজর কাড়তে পারে তাহলে খুব ভাল আয় সম্ভব । থিমফরেস্টে সাধারণত থিম বিক্রি হয়।

থিমফরেস্ট সবসময় তাদের স্টকের থিম সমূহের গুনমান বিশ্লেষণ করে, তাই তাদের রয়েছে বিশ্বব্যাপী একটা বিশাল মার্কেট। এখানে পৃথিবী বিখ্যাত সব ডিজাইনার থেকে শুরু করে যারা নবীন কিন্তু মেধাবী তারাও টেমপ্লেট বিক্রয় করে। টেমপ্লেটগুলো কয়েক ভাগে বিভক্ত যেমন ওয়ার্ডপ্রেস টেমপ্লেট, জুমলা টেমপ্লেট, পিএসডি টেমপ্লেট, ড্রুপাল টেমপ্লেট ও অন্যান্য।  এছাড়া বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ, একাউন্ট ব্যবস্থাপনা, ডেভলপারকে তার প্রাপ্য মুনাফা পৌঁছে দেয়া ইত্যাদি কাজ করে থাকে থিমফরেস্ট। তাই নতুন এবং প্রতিভাবান ডেভলপারদের জন্য থিমফরেস্ট সর্বশ্রেষ্ঠ মার্কেটপ্লেস।

 5

থিমফরেস্টে সফল হওয়ার কিছু টিপস :

০১)  থিম সাবমিট করার আগে অবশ্যই ডেভেলপার প্লাগইন দিয়ে চেক করে দিতে হয় ।

০২) থিম ফোল্ডার থেকে সকল প্রকারের হিডেন ফাইল ও ফাইলে কোন অযথা কমেন্ট থাকলে ডিলেট করে দিতে হবে।

০৩) ডিজাইনে বৈচিত্র আনতে হবে এমন কোন কথা নেই, আপনার কাজ যাতে সব ব্রাউজারে ঠিক মত চলে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

০৪) থিমে অবশ্যই যেন কনটেন্টের অ্যালাইনমেন্ট এবং স্পেসিং ঠিক থাকে।

০৫) বৈধ মার্কআপ লিখতে হবে যা খুবই জরুরি ।

 

 গ্রাফিকরিভার.নেট : এই সাইটে সাধারণত বিজনেস কার্ড, প্লায়ার, বিজনেস কার্ড, লোগো, ওয়েববাটন, ব্যানার, ব্যাকগ্রাউন্ড, প্রাইস চার্ট ইত্যাদি বিক্রি হয়।প্রতিটি আলাদা আলাদাভাবে এখানে বিক্রি করা যায়।  ইলিমেন্ট এবং ডিজাইন ভেদে বিভিন্ন ধরনের দাম হয়। এখানে একটি ডিজাইন একবার নয় বরং একাধিকবার বিক্রি করা যায় । ডিজাইনাররা তাদের সুন্দর একটি ডিজাইন তৈরী করে গ্রাফিকরিভার জমা দেয়  । ডিজাইনটি গ্রাফিক রিভার সাইট কতৃক গৃহীত হলে বাকি কাজ ওরাই করে দেবে। এরপর ডিজাইনের জন্য একটি মূল্য নির্ধারণ করা হবে। এ মূল্যটি ডিজাইনের কোয়ালিটির উপর ভিত্তি করে $১ থেকে $১০ পর্যন্ত হতে পারে। প্রাথমিকভাবে প্রতিবার বিক্রির জন্য আপনার ডিজাইনের নির্ধারিত মূল্যের ৪০% আপনাকে প্রদান করা হবে।

গ্রাফিকরিভারে সফল হওয়ার কিছু টিপস :

০১) যথাসম্ভব সুন্দর ইউনিক ডিজাইন করুন যাতে কাস্টমারদের তা পছন্দ হয় ।

০২) কালার কমবিনেশন মিল রেখে ডিজাইন করতে হবে।

০৩) পিএসডি ফাইলে যদি আপনি বিভিন্ন মডেলদের ছবি ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপলোড করার আগে পিএসডি থেকে মডেলদের ছবিগুলো রিমুভ করে নেবেন।

০৪) মেইন ফাইলের সাইজ সর্বোচ্চ্য ১ জিবি হতে পারে

০৫) ডিজাইন আপলোড করার সময় ডিজাইন থিমের সাথে মিল রেখে কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে ।তবে প্রত্যেকটি কিওয়ার্ড ছোট হাতের অক্ষরে লিখতে হবে এবং একটার পর আরেকটা কমা দিয়ে লিখতে হবে ।

 

কোডকেনিয়ন.নেট : কোডকেনিয়ন প্রধানত ওয়েবসাইটের উপাদান বিক্রির জন্যই। কিন্তু পার্থক্য হচ্ছে এখানে ডিজাইন বা পুরো থিম নয় বরং বিক্রি হয় কোড। ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা ও মোবাইল এপ্লিকেশন সহ বিভিন্ন ইকমার্স সাইটএর সিএমএস জন্য তৈরী বিভিন্ন কোড ক্রয়-বিক্রয় করা হয় এই সাইটে । এ ফাইলগুলো পিএইচপি, জাভাস্ক্রিপ্ট, এইচটিএমএল৫ সহ অন্যন্য প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ও স্ক্রিপ্ট ল্যাংগুয়েজ দিয়ে তৈরী হয়। নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডেভেলপাররা বিভিন্ন ওয়েব প্লাগিন এবং ইলিমেন্ট বিক্রি করে থাকে এখানে। যারা বিভিন্ন ধরনের ওয়েব ইলিমেন্ট ভালোভাবে তৈরি করতে পারেন তাদের প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য এটা একটা উত্তম মার্কেটপ্লেস। প্রোডাক্ট ফিচার ভেদে দামের তারতম্য।

কোডকেনিয়নে সফল হওয়ার কিছু টিপস :

০১) যারা কোডিং এক্সপার্ট তাদের জন্য কোডকেনিয়ন খুব ভাল সাইট।

০২) ক্রিয়েটিভ কোডিং করতে পারলে খুব সহজেই ভাল ইনকাম আসবে।

০৩) কপি পেস্ট না করে অন্য ওয়েবসাইট থেকে ধারনা নিতে পারেন।

০৪) মার্কেটপ্লেসের কথা মাথায় অর্থাৎ প্রচলিত নিয়ম অনুসারে কোডিং করতে হবে ।

 

 ভিডিও হাইভ.নেট : একটি ওয়েবসাইটকে আকর্ষনীয়ভাবে উপস্থাপনের জন্য বিভিন্ন ভিডিও যুক্ত করা হয় । বিভিন্ন ধরনের ফিচার ভিডিও এবং ইফেক্ট ভিডিও বিক্রি করা হয় এই সাইটে । এখানে আফটার ইফেক্ট প্রোজেক্ট ফাইলও বিক্রি করা যায়। ভিডিওর দাম সাধারনত ৭ ডলার আর আফটার ইফেক্ট প্রজেক্টের দাম হয় ২১ ডলার থেকে।

ভিডিও হাইভে সফল হওয়ার কিছু টিপস :

০১) ভিডিও তৈরি করার জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে ভিডিও এডিটর সফটওয়্যার “ইডিয়াস” দ্বারা খুব ভাল মানের ভিডিও বানানো যায়।

০২) ভিডিও কোয়ালিটি ভাল মানের হতে হবে ।

০৩) অন্যের ভিডিও কপি করে নিজের নামে চালানো যাবে না । মোটকথা ভিডিও কন্টেন্টটি ইউনিক হতে হবে ।

০৪) যারা প্রোফেসনাল ভিডিও এডিটর তারা খুব সহজেই সফলতা পায়।

অডিওজাঙ্গল.নেট :  অডিওজাঙ্গল মূলত অডিও বিক্রির জন্য। বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্রের ইউনিক অডিও কিংবা কোন ফিচার অডিও এখানে বিক্রি করতে পারেন। অডিও ভেদে দামের অনেক তারতম্য হয়। মটিভেসানাল,ফানি অথবা রক টাইপের অডিও গুলো খুব বেশি সেল হয়। অডিও কোয়ালিটি ভাল হতে হবে।

ফটোডিউন.নেট : ফটোডিউন এ নিজের তোলা ছবি বিক্রি করা যায় । ফটোডিউনে ছবির সাইজ ভেদে দাম হয়। এখানে মিডিয়াম সাইজের একেকটা ছবি একেকবার বিক্রির দাম হচ্ছে সাধারনত ৩ ডলার। এখানে তবে ছবি অবশ্যই কোয়ালিটিফুল হতে হবে।7থ্রিওসেন.নেট : থ্রিওসেনে যাবতীয় ৩ডি এলিমেন্ট ডিজাইন বিক্রি করা যায় । ডিজাইন গুলোর দাম সাধারণত  ১ ডলার থেকে শুরু হয়ে ১০০ ডলার পর্যন্ত হয়। বিভিন্ন ধরনের গাড়ী , মোবাইল, বিভিন্নধরনের প্রাণী ,ইনডুর ইত্যাদি ডিজাইন বেশি বিক্রি হয়ে থাকে।

একটিভডিন.নেট : একটিভডিনে বিভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাশ ইলিমেন্ট বিক্রি করা হয় । বিভিন্ন ধরনের এনিমেনেট অবজেক্ট, ব্যাকগ্রাউন্ড, বাটন ইফেক্ট, ইকুয়েলাইজার ইত্যাদি বেশি বিক্রি হয়ে থাকে। দাম সাধারনত ৩ ডলার থেকে শুরু হয়।

ইনভাটোতে  পেমেন্ট মেথড :

ইনভাটো থেকে চারভাবে টাকা উত্তোলন করা যায় ।  যেমন : মানিবুকার্স, পেওনিয়ার, ব্যাংক ট্রান্সফার ও পেপালের মাধ্যমে। ইনভাটো থেকে মানিবুকার্স দিয়ে অর্থ উত্তোলনের জন্য একাউন্টে সর্বনিম্ন ৫০ ডলার জমা থাকতে হবে।

ইনভাটোর যেকোন প্রোডাক্ট বিক্রি বৃদ্ধির জন্য বিশেষ টিপস:

-         সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে প্রচুর বিক্রি করা যায়।

-         ব্লগিং এবং গেস্ট ব্লগিং বিক্রি বৃদ্ধিতে অনেক সহায়ক হবে।

-         ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করে সেটিকে মার্কেটিং করতে পারেন।

-         টার্গেটেড ইমেইল লিস্ট থাকলে তাদের কাছে ইমেইল মার্কেটিং করে প্রচুর বিক্রি সম্ভব।

-         বিভিন্ন ফোরামেও অ্যাক্টিভ থেকে অনেক ক্রেতা খুজে বের করার সম্ভব।

 

সতর্কতা :

০১) ডিজাইন প্রিভিউতে কপিরাইট লঙ্ঘন করে ইমেজ ব্যবহার করা যাবে না ।

০২) প্রোজেক্টে কোন কোম্পানীর লোগো সম্বলিত কোন কিছু অ্যাড করতে পারবেন না ।

০৩) ইন্টারনেট থেকে কোন ডিজাইন কপি করেও ডিজাইন জমা দিতে পারবেন না, যদি রিভিউয়ার অ্যাকসেপ্টও করে ফেলে কিন্তু পরে কোন এক সময় লক্ষ্য করল যে এটা আসলে অন্য কোন একটা ডিজাইনের নকল, তাহলেও আপনি কপিরাইট আইন ভঙ্গের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন।

০৪) ডেসক্রিপশনেও যদি কারো স্টাইল কপি করেন যেমন যে কয়েকটা জায়গায় পরিবর্তন করা দরকার সেগুলোতেই পরিবর্তন করলেন তাহলে ও কিন্তু ওয়ার্নিং খেতে পারেন যদি যার ডেসক্রিপশন কপি করেন সে যদি রিপোর্ট করে।

০৫) ইনভাটো সাধারনত প্রথমবার ওয়ার্নিং দেয়, দ্বিতীয়বার আর ওয়ার্নিং দেয়না, সরাসরি অ্যাকশন নিবে, সেটা অনেক কিছুই হতে পারে যেমন আপনাকে অস্থায়ীভাবে ব্যান করতে পারে অথবা আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উইথড্র করার সুবিধা কয়েক মাসের জন্য আটকে দিতে পারে।

 

আমার এ লেথাটি  ১ম প্রকাশ হয়েছে দৈনিক যুগান্তরের বৃহস্পতিবারের ”চাকুরির খোজে” পাতাতে।

ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক যেকোন সহযোগিতার জন্য আমার পেজে এসে প্রশ্ন করতে পারেন।

পেজ লিংক: https://www.facebook.com/ekram07

  • Md. Arifur Rahman

    গ্রাফিকরিভারে bussiness card ডিজাইন করতে ফটোশপের css8 version ব্যবহার করা যাবে কি?