২০১৫ সালে ভেরিয়েশান বা বৈচিত্রতাপূর্ন article বা content-ই সকল অর্থনৈতিক কর্ম-কান্ডের প্রাণ!( গবেষণা লব্ধ লেখা)

টিউন করেছেন shahjahan | April 19, 2015 08:23 | পোস্টটি 1,142 বার দেখা হয়েছে

২০১৫ সালে ভেরিয়েশান বা বৈচিত্রতাপূর্ন article বা content-ই সকল অর্থনৈতিক কর্ম-কান্ডের প্রাণ!( গবেষণা লব্ধ লেখা)

ccc.png

 

 

এই দশকের ( ২০১৫-২৫) অন্যতম প্রফেশনগুলোর মধ্যে article writing বা content development হচ্ছে একটি। সে জন্যই আর্টিকেল রাইটিং-এর ক্ষেত্রে কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হয়।

যারা article বা content রাইটিং-এর মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান তাদের জন্যই এই যুগান্তকারী লেখা।

যা যা থাকবে এই আর্টিকেলেঃ

•আর্টিকেল, কন্টেন্ট, এবং  seo-এর মধ্যাকার সম্পর্ক।
• একটা প্রফেশনাল বা বিশ্ব মানের article এর বৈশিষ্ট
• কেন আর্টিকেল বা কন্টেন্ট এত গুরুত্বপূর্ণ
• একজন ব্যক্তির কী গুন থাকলে ভালো রাইটার হওয়া সম্ভব
• article writer-রা কিভাবে আয় করবে
• ইউনিলিবার বা অন্যান্য transnational company গুরোর সফরতার রহস্য
• ২কোটি টাকার স্কলারশিপও ক্যারিসমেটিক লেখার কারণেই

• ব্যাকলিঙ্ক সম্পর্কিত একটা রিফ্রেশিং কবিতা
• স্মার্ট শতাব্দিতে এসেও নিজ ও নিজের ক্যারিয়ার বিষয়ক চিন্ত-চেতনাকে আপডেট করতে বাঙ্গালির ব্যর্থতার কারণ

√  Article  এবং content writing -এর মধ্যাকার পার্থক্য

seo বা নিজ বা কম্পানি/ পণ্যেকে মানুষের অতি নিকটে নিয়ে যাওয়ার সবচেয় ভালো পন্থা হচ্ছে ভালো article; আর্টিকেলই সবচেয়ে ভালো হাতিয়ার। আর্টিকেল এবং কন্টেন্টকে যদিও একই জিনিসকে বুঝানো হয় তবে উহাদের মধ্যে বেশ সূক্ষ্ম তারতম্য বিদ্যমান। কন্টেন্ট অনেক রকমের হতে পারে যেমন-  infographics,  গ্রাফ, ছবি, অডিও, ভিডিও, কার্টুন, জুজু, মিমি ইত্যাদি। অন্যদিকে আর্টিকেল একাদিক রকমের কন্টেন্টের সমন্বয়ে তৈরি হয় যাহাতে লেখা-লেখিটাই বেশে হয়। অর্থ্যাৎ কন্টেন্টের সমষ্টিই হলো article.

√ একটা প্রফেশনাল বা বিশ্ব মানের article এর বৈশিষ্ট

প্রফেশনাল আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে কিছু ছোট-খাটো বিষয় খেয়াল রাখতে হয় যার বিস্তারিত আলোচনা আমার রেখা ১০টি অত্যাবশ্যকীয় বিষয় এই দশকের প্রফেশনাল রাইটারদের খেয়ার রাখতে হবে নামক আর্টিকলে হয়েছে। তারপরও সংক্ষেপ এখানে বলছি।

১) আর্টিকেলটি seo-friendly হবে। অর্থ্যাৎ
- টাইটেল, হেডিং, প্রথম ১০০ শব্দের মধ্যে আকর্ষণীয় শব্দ থাকবে।
- সহজ- সরল শব্দ ও সিম্পল বাক্যের ব্যবহার হবে।
- কঠিন শব্দের ব্যবহার হবে না ; মানুষ বুঝানোই মূল লক্ষ।
- technically পণ্যের বিজ্ঞাপন থাকতে পারে।
- internal ও external, back লিঙ্ক থাকবে।
- মডিফাইয়ার তথা ‘২০১৫’, ‘best’,’ tips’, ‘technic ‘ ইত্যাদি দিয়ে টাইটেল শুরু হবে।
- লেখার মহাভারত কিবা রামায়ণের মত নহে বরং পয়েন্ট পয়েন্ট করে লেখা হবে।
- প্রত্যেক মানুষের মধ্যে কোনো না কোন ফর্মে কৌতুহল, রসিকতা, ও ভোগবিলাসিতা থাকে। সুতারাং লেখাতে তথ্য, বিনোদন একই সাথে কৌশলে পণ্যের বিজ্ঞাপণ থাকবে।

২) আর্টিকেলের সাইজটা হওয়া উচিৎ ১২০০- ১৮০০ শব্দের। কারণ এর মধ্য কোনো কিছু মোটামোটিভাবে বর্ণনা করা যায়। তা ছাড়াও seo-এর ক্ষেত্রে অর্থ্যাৎ মোটামোটি বড় রকমের আর্টিকেল হলে ভিজিটর আপনার সাইটে অনেক্ষণ থাকে এবং এর ফলে গুগল আপনাকে জামাই আদর করবে।

৩)লেখার মধ্যে বৈচিত্রতা থাকবে

√ variation বা বৈচিত্রতাপূর্ণ লেখা কেমন?

অনেক গুরুত্বপূর্ণ, তথ্যবহুল, ভালো মানের আর্টিকেল লিখেও লক্ষে পৌছানো very টাপ যদি না ভিন্নতা আনা না হয়। অর্থ্যাৎ চিকেন ফ্রাই বা পিজা যত ভালো জিনিসই হোকনা কেন প্রত্যেক দিন কি ভালো লাগে? মাঝে -মধ্যে আলুবর্তা,  শাক,করোলাও প্রয়োজন হয়, রাইট? একটা ব্যালেন্স রক্ষা করতে হয়।

অনুরুপভাবে একই ফরমেটে কন্টেন্ট না লিখে ধরণ বদনানো আবশ্যক- যেমন গ্রাফ, চার্ট, পরিসংখ্যান, কার্টুন, ইনফোগ্রাফিক, জোক্স, কুইজ, ফানি ভিডিও ইত্যাদি ইডিটোরিয়াল ক্যালেন্ডারে রাখা।

যে জিনিসটাকে জোর দিয়ে বলতে চাচ্ছি তা হলো কন্টেন্ট মার্কেটিং-এর  ক্ষেত্রে একটা ভারসাম্য রাখা অথ্যাৎ নানান প্রজাতির কন্টেন্টের সংমিশ্রণ – সমন্বয় সাধন। এক রকমের কন্টেন্ট দিয়ে সময় গেলেও সাধন হবে না…!

√ কেন আর্টিকেল বা কন্টেন্ট এত গুরুত্বপূর্ণ

বিলগেটস  বলেন যে, content is king আর আমি বলি, content is powerless king when  queen and soldiers i.e. variation are missed.

কেন আর্টিকের  king? well, বর্তমানে যেকোনো পণ্যের মার্কেিটং-এর ক্ষেত্র সবচেয়ে কার্যকরী হাতিয়ার হচ্ছে আর্টিকের বা কন্টেন্ট। ভালো মানের তথ্যবহুল ও ইমপ্রেসিভ আর্টিকেলের মাধ্যমেই নিজেকে, কম্পানির/ প্রডাক্টকে পরিচিত করা,  ওয়েব সাইটে ভিজিটর আনা, ভিজিটরকে পন্য কিনতে রাজি করা অধিকতর সহজ।

√ একজন ব্যক্তির কী গুন থাকলে ভালো রাইটার হওয়া সম্ভব

আর্টিকেল রাইটিং শিখে মানুষ পৃথিবীতে আসে না। দুনিয়াত এসেই শিখে। অর্থ্যাৎ অন্যদের লেখার স্টাইল দেখে নিজের মতো করে লিখতে প্র্যাক্টিস শুরু করে দিলেই যথেষ্ট; নামি-দামী ইউনিভার্সিটি-কলেজের ডিগ্রী আবশ্যক নহে – কাজী নজরুলের কথা ভাবুন।

আবোল-তাবোল যা পারেন শুরু করুন, ১৫ দিন পরে দেখবেন আপনি দারুন লিখছেন; লেখা শুরু করলে শেষ হতে চায়না।

এর পরেও রাইটিং কঠিন মনে হলে কোনো বিশ্যস্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যেমন ceative It-এর ইকরাম ভাই বা অন্য কেউ যারা অনলাইনে অনেক দিন যাবত এসব নিয়ে কাজ করছে তাদের থেকে বিভিন্ন কৌশল শিখে নিলে বা কোনো ভালো মানের বই যেমন ‘ ডাইজেস্ট ফাস্ট মার্কেটিং ফিলোসোপি’ ইত্যাদি পড়া যেতে পারে।

√  article writer-রা কিভাবে আয় করবে

আর্টিকেল রাইটার হিসেবে আয় করতে হলে প্রথমে ভালো আর্টিকেল লিখা শিখিতে হইবে, অতঃপর চারি দিকে আপনাকে প্রচার করিতে হইবে;  seo-এর নলেজ থাকা দরকার। seo-এর জ্ঞান বলতে নিজেকে মানুষের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার technic কে বুঝায়। আর তা হচ্ছে guest ব্লগ লিখে, ফোরাম পোষ্টিং করে, আর্টিকেল সাবমিশান সাইট যেমন azineArticle,  Buzzle.com. goArticle ইত্যাদিতে লিখা।

তবে সিরাতুল মুসতাকিম বা সহজ রাস্তা হচ্ছে fiverr, freelancer.com, proBlogger ইত্যাদি প্লেসগুলোতে গিগ তৈরি করে বিক্রি করা।  নতুন হিসেবে fiverr-এ অল্প সময়ে সফল হতে আমার লিখা  fiverr-এ গিগ বিক্রি করার সেরা কৌশল পড়তে পারেন।

√ ইউনিলিবার বা অন্যান্য transnational company গুরোর সফরতার রহস্য

কখোনো ভেবে দেখেছেন- ইউনিলিভার কম্পানি এত সফল কী করে? না, কারণ আমরা বাঙালি জাতি অলসতার জন্য গিনিস বুকে নাম লিখানোর মত কৃতিত্ব রাখি, কোনো কিছুই ভাবতে চাহিনা; চারিখানা হাত পায়ে মরিচা পড়িবার উপক্রম!

যা বলতে ছিলাম, ইউনিলিভারের সফলতার কারণ খুজে ভের করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রফেসর আমাকে একটা এসাইনমেন্ট বা ছোট-খাটো রিসার্স প্রজেক্ট দিলো। সেই রিসার্সে আমি দুইটা কারণ খুজে পাই যে দুইটা অনলাইন কিংবা অপলাইন যেকোনো ব্যবসায় প্রয়োগ করতে পারলে সফলতার সম্ভাবিলিটি ১০০ ভাগ।

বলা যাক সেই দুইটা কারণ বা হাতিয়ার কি কিঃ

১ নং মানুষের বিশ্বাসে এবং আবেগে বা ইমাশনে হিট করতে পারা।

২ নং বৈচিত্রতা, ভিন্নতা বা পণ্যের ব্যাপকতা।

এবার ব্যাপারটা একটুখানি ব্যাখ্যা করা যাক।
মানুষের বিশ্বাসে আঘাত করতে পারার মানে হচ্ছেঃ যখন বলা হলো কোকাকোলাতা শুকরের কিছু একটা দেওয়া হয় ( ব্রিটিশ শাসনামলেও এরকম একটা ঘটনা ঘটেছিলো) তখন কিন্তু মুসলিম দেশগুলোতে কোকাকোলার ব্যবসায় লাল বাতি! অার এমন যদি বলা হয় যে, সেভেন আপে ঝমঝমের পানি দেওয়া হয় তখম কিন্তু সবুজ বাতি অধিকতর সবুজ হইয়া উঠিবে।

এক্ষেত্র জার্মানি পন্ডত মার্ক্সের কথা এসে যায়, যিনি বলেছেন,” ধর্ম হচ্ছে সবচেয় কার্যকরী হাতিয়ার যা দ্বারা সবচেয়ে বেশি সংখ্যক  মানুষকে বশ করা যায়।”

অন্যদিকে আবেগ, ইমোশন বা রোমান্সের ক্ষেত্র ব্যাপারটা হচ্ছে, অনেক সফল ও বিশ্বজয়ী কম্পানিগুলো যখন ছেলে প্রজাতিকে টার্গেট করে তখন মেয়েদেরকে ছোট জামা পড়িয়ে প্রলোভন বা টোপ দেখিয়ে পন্যর বিজ্ঞাপন তৈরি কর। আর মেয়েদেরকে টার্গেট করলে উল্টো সাধনা, সামজো?

দুই নাম্বারে ভেরিয়েশন বা পন্যের ব্যাপকতার কথা বলেছিলুম। জিনিসটা খুবই সিম্পল- ইউনিলিভার কম্পানির কত আইটেমের শ্যাম্পু আছে, কেন? ঐজে! মিঠনে বলেছে,  “বনে-জঙ্গলে যেখানেই যাও আমাকে দেখিবে।” The more items, the more variety, the more exposure,  and  ultimately the more product sell!

আবার বলা যাক একটা রেস্ট্রন্টের কথা। মনে করুন একটা রেস্ট্রন্ট শুধু চিকেন ফ্রাই আর পিজা বিক্রি করে। অন্য আরেকটা রেস্ট্রন্ট চিকেন ফ্রাই, পিজার পাশা-পাশি আরো নানা ধরনে খাবার রাখে।  বলুনতো মানুষ কোনটাতে যাবে? সুস্থ মস্তিকে বলবেন পরেরটা, রাইট?

কন্টেন্ট মার্কেটিং বা লেখা-লেখির আড়ালে কোনো কিছুর মার্কেটিং বা প্রচার-প্রসার হচ্ছে যেকোনো অনলাইন বা অপলাইন ব্যবসার জন্য এই দশকের সেরা হাতিয়ার। আপনি বা আপনার প্রডাক্ট যত্তই ভালা হোক না কেনো মানুষকে না জানাতে পারলে পুজা করা ছাড়া কোনো কাজ নেই; আর্থিক কোনো ভেলু নেই।

জানেন যে, এভারের বিশ্ব সুন্দরী ( নাউযুবিল্লা) হলেন Rolene Srauss. কেন,কিভাবে তিনি বিশ্ব সুন্দরী হলেন? তার চেয়ে আর সুন্দর কোনো মাতারি দুনিয়াতে নাই? আলবাত অনেকের ঘরের কাজের বুয়াও আরো বেশি সুন্দর আছে। মুলতঃ লন্ডনে একটি প্রতিযোগীতায় যারা উপস্থিত হয় তাদের মধ্য হতেই সিলেক্টেড হয় বিশ্ব সুন্দরী।

অথ্যাৎ যিনারা ঐ সভার বড় কর্তাদেরকে একটি প্রডাক্ট হিসাবে নিজেদের বিভিন্ন ফিসারগুলো দেখিয়ে রাজি-খুসি করতে সক্ষম তারাই কামিয়াবি। তার মানে ধরুন একটা আসরের আয়োজন করা হলো, সেখানের প্রধান কর্তা মনমহনসিং ও মুদি। আর সে আসরে প্রতিযোগিতায় ১১৮ জন হিজরা সাথে খালেদা ও হাসিনা অংশগ্রহণ করলো। এখন কি হবে? নিশ্চয় মুদি সাহেব চাহিবে খালেদাকে আর মনমহন চাহিবে হাসিনাকে বিশ্ব সুন্দরি হিসেবে ঘোষণা দিতে, রাইট?

সব কথার মানে হচ্ছে আপনার প্রডাক্ট বা কম্পানিকে ভালো হিসেবে প্রমান করতে চাইলে প্রতিযোগিতায় যেতে হবি; ভালো কন্টেন্ট, ব্যালেন্সেড কন্টেন্টের মাধ্যমে,বুঝ্ঝওইন?

√ স্মার্ট শতাব্দিতে এসেও নিজ ও নিজের ক্যারিয়ার বিষয়ক চিন্ত-চেতনাকে আপডেট করতে বাঙ্গালির ব্যর্থতার কারণ

এখানে এসে একজন অর্থনীতিবিদেরর কথা মনে পড়ে গেলো, যিনি বলিছিলেন যে মানুষ গরিব কারণ তারা গরিব। এতো সুন্দর ও দামী কথাটুকুর মানে আমরা বাঙ্গালিরা বুঝি না
, বুঝতে চাইও না। তিনি যা বুঝাইলেন তা হলো আসলে গরিব লোকদের চিন্তা-ভাবনা, সাহস, পড়াশুনা, কাজ-কর্ম, ইত্যাদি সবই গরিব।

অবাক লাগে আমার কাছে যুবক সমাজের চিন্তা-চেতনার সঙ্কীর্ণতা দেখে। অনার্স- মাস্টার্স পাশ করে বিসিএস বা অন্যান্য সরকারি চাকরিকে সোনার হরিণ(!) ভেবে পাগলের মতো ছুটে ভেড়ায়। আপসুস! তারা ভিন্ন কিছুর চিন্তা করেন না; বুঝে না তাদের মধ্যে তুফান আছে, চাইলে  অন্য সেক্টরে অনেক ভালো কিছু করতে পারে।

আসলে বিসিএস বা অন্যান্য সরকারি চাকরি গুলো কোটা আর তদবিরে এমন হয়েছে যে সেগুলো আমার কাছে মনে হয় মুক্তিযুদ্ধা আর সরকারের বড়কুত্তাদের প্রতিবন্ধি  সন্তানদের সংরক্ষিত পেশায় পরিণত হয়েছে। সুতারাং যারা নিজেদেরকে প্রতিবন্ধি না মনে করি যোগ্য মনে করতে সাহস রাখেন তাদের উচিৎ নিজেকে ইন্টারন্যাশনাল সিটিজেন বিশ্বাস করে আন্তর্জাতিক জব মার্কেটে এসে যুগোপযোগী স্মার্ট পেশায় নিয়োজিত হওয়া।

আমাদের হতাশাগ্রস্ত নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে একটা কথাই বলতে চাই- William Shakespeare-এর Sonnet 71-এর মূলভাবটুকু আমল করুন; তাতেও অন্তত জীবনকে সাজিয়ে নিতে পারবেন। Shakespeare তার এই কবিতাটিতে তার প্রিয় জনকে উল্লেখ করে বলেন, মরে যাওয়ার পর আমার কথা ভেবে কখনো আপসুস করবা না, শুধু জানিয়ে দিবে এই নিষ্ঠুর পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছি। মাটির সাথে মিশে একাকার হয়ে যাবো আমি সুতারাং আমায় ভেবে ভেবে কষ্ট পাওয়ার তোমার জন্য সমীচীন নহে বরং নিজেকে সাঝিয়ে নাও। তুমি আমাকে নিয়ে ভাবলে মানুষ তোমাকে নিয়ে তামাশা করবে। সুতারাং সেটা না করে ভবিষ্যতের দিনগুলো আলোকিত করার সেষ্টা কর তবেই আমি শান্তি পাবো।

কবিতাটিকে শিখার অনেক কিছুই আছে। আমাদের উচিৎ অতিত নিয়ে হায়-হুতাশ না করে অতিত থেকে শিক্ষা ও স্পিরিট নিয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যতকে সাজিয়ে নেওয়া।

 

শেষ পর্যায়ে এসে আমার কবিকবি ভাবের উদয় ঘঠিলো ; একখানা তথ্যপূর্ণ সুসাধু কবিতা তৈরি করিত মনে চাহে-

Hey,     wanna    thou  win?
wanna               thou        ruin?
contents   , articles sure king
SEO queen, success that bring;

be  honest       for        back link,
only good content give good link;
Never       target o’er   black hat,
Nothing         but like dead cat!

wanna  thy business boost, win?
wanna      thou be in the race fine?
incorporate, incorporate above line
fine! fine! gave thee all that mine!

√ ২কোটি টাকার স্কলারশিপও ক্যারিসমেটিক লেখার কারণেই

কন্টেন্ট বা রাইটং যে কত্ত প্রবল হাতিয়া একটা ঘটনা উদাহরণ হিসেবে বললে জিনিসটা সার্পেক্সেল হবি: ঢাবিতে আমার ডিপার্টমেন্টেরর এক বড় ভাই অস্ট্রেলিয়ার এক ইউনিবার্সিটিটে একটা এপ্লিকেশান লিখেছেন আর সে লেখার মধ্যে এমন ক্যারিশমা ছিলো যে ঐ ইউনিভার্সিটি ২. ৫ লক্ষ ডলার( প্রায় দুই কোটি) স্কলারশিপ দিয় তাকে নিয়ে যায়!

নবিজী বলেছেন, ” ব্যক্তির কথাই তার জ্ঞানের মাপকাঠি। ” অর্থ্যাৎ আপনার কথা,লেখার মাধ্যমেই মানুষ আপনাকে মুল্যায়ন করবে, আপনাকে বিশ্বাস করবে। আসলে ভালো কন্টেন্ট লেখা কারো পক্ষে অসম্ভব না ; মানুষ চেষ্টা করলে রানা প্লাজার মতো ৮ তলা ১০ তলা বিল্ডংও ধাক্কা দিয় পালাইয়া দিতে পারে!

 

কিছু প্রশ্ন-উত্তরঃ
Q: কেন বিদেশি বায়াররা আমাদেরকে article writing -এর কাজ দিবে?
A: সবাই নিজের প্রফিটটাকে ম্যাক্সিমাইজ করতে চায়। আর বিদেশি অর্থ্যাৎ ইউরোপ-আমেরিকান বায়াররাও আমাদের মতই মানুষ। আমরা যেমন কোনো কাজ যত কম দামে করাতে পারি চেষ্টা করি সে রকমটা তিনারাও করে। আমাদের দেশের লোক দিয়ে যে কাজ ১০ ডলার দিয়ে করানো যায় সেই একই মানের কাজ তাদের দেশের লোক দিয়ে করাতে লাগবে ৩০ ডলার; একটা কাজের মাধ্যমে যে পরিমান সঞ্চয় হয় তাতে তাদের বৌদের ম্যাকাপের টাকা হয়ে যায়। গার্মেন্টস সেক্টরের কথাই ভেবে দেখুন না।
Q: বাংলাদেশের সবাই যদি আর্টিকেল রাইটিং-এর মাধ্যমে আয় করতে চায় সবাই কি কাজ পাবে?
A: বাংলাদেশের বিশ কোটি মানুষ সবাই এ সেক্টরে কাজ করতে চাইলেও কাজের টান পরবে না।
Q: এই সেক্টরের ভবিষ্যত কী?
A: এই সেক্টরে কাজ দিন দিন বাড়বে ; কমবে না।
Q: কোন ভাষায় লিখতে পারলে বেশি অায় করা যাবে?
A: শিখা ও প্র্যাক্টিসেরর জন্য যে কোনো ভাষা দিয়ে শুরু করা যেতে পারে, তবে যেহেতু ইংরেজি আন্তর্জাতিক ভাষা তাই এই ভাষায় লিখলে বেশি লাভবান হওয়া যাবে। ইংরেজি সিস্টেম মত শিখলে ৫ মাসের বেশি লাগে না।
Q: আর্টিকেল রাইটিং কাদের জন্য  বেশি সহজ?
A: মূলতঃ দুনিয়াতে কোন কাজই সহজ না। তবে যারা বসে থাকতে ও কল্পনার জগতে ভ্রমণ করতে ভালোবাসে তাদের জন্য বেশি সহজ।
Q: মেয়েরাও কি এই পেশায় ভালো করতে পারবে?
A: জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই ভালো করতে পারবে; শুধু প্রয়োজন কলমের জোর- গায়ের জোর, মামুর জোর, চাপার জোর, চেহারার জোর কোনটা লাগবে না।

শেষ কথাঃ A writer is encouraged to write more and more when s/he gets assessment i.e. comments and share. True for me, too. If you want me to write more in the future, you should share and comment my posts. Thank you.