২০১৩ সালে বলিউডে মুক্তি পাওয়া আমার দেখা সেরা ১০ টি রোমান্টিক সিনেমা

টিউন করেছেন Shahnaz Akter Nipa | April 8, 2014 08:46 | পোস্টটি 2,302 বার দেখা হয়েছে

২০১৩ সালে বলিউডে মুক্তি পাওয়া আমার দেখা সেরা ১০ টি রোমান্টিক সিনেমা


যাদের বলিউড মুভি তে এলাজি্ আছে তাদের ভিতরে না ঢোকাই ভাল।
২০১৩ সাল এ বলিউড অনেক ভাল মুভি উপহার দিয়েছে সেখান থেকে আমার দেখা সেরা ১০ টি রোমান্টিক মুভি বাছাই করেছি।

১। লাঞ্চ বক্স-

লাঞ্চ বক্স কে নিয়ে অসাধারন একটি প্রেমের গল্প। দ্য ওয়ার্ল্ড সিনেমা আমস্টারডাম ফিল্ম ফেস্টিভালে দর্শকদের ভোটে সেরা ছবি নির্বাচিত হয়েছে ‘দ্য লাঞ্চ বক্স’। “ডব্বাওয়ালা”রা…
মুম্বাইয়ের বহু পুরনো এই ব্যবসায়কে ছবিতে খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন ঋতেশ বাত্রা। আর তাতে সোনায় সোহাগা করেছেন ইরফান খান যিনি যে কোন চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলতে বরাবরই মহা পারদর্শী…ছবিতে তাকে সঙ্গ দিয়েছেন নির্মিত কউর যাকে গৃহবধুর ভূমিকায় দেখে মনে হয়েছে, হ্যাঁ এই সেই মেয়ে যে লাখ লাখ সো কল্ড হোমমেকারের ছোট বড় দুঃখগুলোকে খুব কাছ থেকে পরখ করেছে। সিনেমার কঠিন একটা ডায়ালগ

“অনেক ভুল ট্রেন সঠিক ঠিকানায় নিয়ে যায়…”

 

২। লোটেরা-

আরেকটি অসাধারণ প্রেম কাহিনি।পঞ্চাশ দশকের এক জমিদার কন্যার সঙ্গে এক তরুণের প্রেমের কাহিনী নিয়ে গড়ে উঠেছে ‘লুটেরা’তে। ঘটনার প্রেক্ষাপট ১৯৫৩ সালের ভারত। এখানে জমিদারের তরুণী কন্যা পাখীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোনাক্ষী। এক তরুণ প্রতœতাত্ত্বিকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রণবীর সিং।

৩। শুদ্ধ দেশি রোমান্স-

ইয়াশ রাজ ফিল্মসের ব্যানারে ‘শুদ্ধ দেশি রোমান্স’ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন মনীষ শর্মা। পরিনীতির সঙ্গে সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন সুশান্ত সিং রাজপুত এবং বাণী কাপুর।প্রেমকাহিনীভিত্তিক ‘শুদ্ধ দেশি রোমান্স’

৪।রাম লীলা-

রাম-লীলা একটি মহাকাব্য।’রাম-লীলা আমার জীবনের সেরা কাজ’- সঞ্জয় লীলা বানসালীর এ সিনেমা প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য দীপিকার।মানুষ যখন প্রেমে পড়ে, তখন সে ভাবতে পারে না কোনো পরিণতির কথা। প্রেম মানে না কোনো বাধা-বিপত্তি। কিন্তু এই প্রেম যখন হয় দুই বিরোধী পরিবারের নরনারীর মধ্যে, তখন তা হয়ে ওঠে মহাপাপ। যার পরিণতি কেবল মৃত্যু। এমনই এক প্রেমের কাহিনি নিয়ে ‘রাম-লীলা’।

৫। রাঞ্ঝানা-

রাঞ্ঝানা একটি প্রেমের গল্প, থুরি ব্যর্থ প্রেমের গল্প। একদম ছোটো বেলায় মানে স্কুল লাইফে, এক হীন্দু ঘরের ছেলে এক মুসলমান ঘরের মেয়ে কে ভালোবেসে ফেলে। ভালোবাসা পেতে পেতে হারায় কুন্দন (ধানুষ), কারন যোয়া (সোনাম)র। একটি এক্কেবারে মিষ্টি, অন্যরকমের ব্যর্থ প্রেমের গল্প। হয়তো একটু জটিল, পরিচালক আনন্দ রাই ধর্মের গোরামী, আর রাজনীতির কুটকচালী কে ঠিক মতো তুলে ধরতে গিয়ে সিনেমাটি কে একটু জটিল বানিয়ে ফেলেছেন। কুন্দন এর চরিত্রে ধনুষ গল্প অনুযায়ী বেশ মানিয়ে গেছে, সোনাম কাপুর ও যথাযথ। অভিনয়ে সবাই স্বাভাবিক এবং স্বচ্ছল, অভয় দেওয়লের কথা আলাদা করে নাই বা বোললাম, উনি বড় ভালো। সঙ্গীতে এ আর রহমান এর ও তুলো না নেই, ঠিক যায়গায় ঠিক ঠিক টাচ টা দিয়ে গেছেন

৬। ‘রামাইয়া ভাস্তাভাইয়া’।

প্রভু দেবার পরিচালনায় ‘রামাইয়া ভাস্তাভাইয়া’শহরের পড়িলিখি বাবু এসে গ্রামের মাসুম লেড়কির প্রেমে পড়ছেন, বহু কান্না-হাসি-ঝাড়পিটের পর বিয়ে হচ্ছে। মেয়েটিরও হিল্লে হয়ে যাচ্ছে, গ্রামে পড়ে থাকতে হচ্ছে না। ছেলেটিও মনের মতো বউকে কাঁধে করে নিয়ে চলে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে বেশ জমাটবাঁধা ছবি। এইরকমই একটা সোজাসাপটা ফর্মুলা নিয়েছেন পরিচালক প্রভু দেবা।

৭। আশিকী ২-

প্রেম যেনো মানুষকে সবসময়ে নাড়া দেয়। যুগ যুগ ধরে প্রেমের ডাকে সাড়া দিয়েছে লাখো প্রেমিক হৃদয়। ঠিক সেভাবেই বলিউডে প্রেম কাহিনী নির্ভর সিনেমাকে আবারো পুনরুজ্জীবিত করে তুললো ‘আশিকী ২’।প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন আদিত্য রায় কাপুর ও শ্রদ্ধা কাপুর। দুজনই প্রথমবারের মতো মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

৮।চেন্নাই এক্সপ্রেস-

এই মুভির পরিচালক রোহিত শেঠি।চেন্নাই এক্সপ্রেস এই ট্রেনে করে যাচ্ছেন চেন্নাই এক্সপ্রেস মুভির হিরো শাহরুখ খান আর হিরোইন দীপিকা পাড়ুকোন। শাহরুখ হিন্দীবাসী, তামিল বুঝেন না আর দীপিকা তামিল-হিন্দী দুই ভাষায় বলতে পারেন। তাদের সাথে আছে চার ডাকাত। এরা আবার হিন্দী বুঝে না। তারা দীপিকাকে তার বাবার কাছে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। কারণ, লোকাল ডন বাবা তাকে জোর করে বিয়ে দিতে চান। দীপিকা এই বিয়েতে রাজি না। ডন আর তার আশে পাশের সেই তামিলবাসীরাও হিন্দী বুঝে না। ফলে চেন্নাই এক্সপ্রেস হয়ে উঠল সেই মুভি যেখানে বিশাল দেশ ইণ্ডিয়ার ভাষাগত দুরত্নের রেশ বেশ বুঝা যায়।

৯।কাই পো চে-

এটা রোমান্টিক মুভি বলা যাবে না।জীবন দুঃখময়, আনন্দ হচ্ছে সেই জীবনের ছোট্ট একটা অংশ মাত্র। অভিষেক কাপুর তার সিনেমা “কাই পো চে” তে এই চির সত্য টাকে তুলে ধরেছে। চেতন ভগতের “থ্রি মিস্টেক অফ মাই লাইফ” গল্প অনুসরনে তৈরী এই সিনেমা। তবে বহু জায়গায় গল্পের থেকে সামান্য পার্থক্য রয়েছে এই সিনেমায়, এবং ডিরেক্টর এটা ধরে নিয়েই সিনেমার গল্প টাকে উপস্থাপন করেছে যে দর্শক রা ইতিমধ্যে গল্প টা জানে। ইশান, ওমি আর গোবিন্দ সিনেমার তিন মুক্ষ্য চরিত্র, যারা বন্ধুর থেকেও অনেক বড় একে অপরের কাছে।

১০। সিক্সটিন -

কিছু টিন এজ ছেলে মেয়ের আবেগ অনুভূতি বন্ধুত,প্রেম,ভালবাসা ভূল-বাল নিয়ে সিক্সটিন মুভি টি তৈরি হয়েছে